Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভারতে ফিরতে হলো প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে আসা তরুণীকে

প্রেমিক মিলনের সঙ্গে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল প্রীতি

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:০৫ পিএম

প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা ভারতীয় তরুণীকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতে হস্তান্তর করা হয়ছে। দীর্ঘ ৮ মাস বাংলাদেশের সেফহোমে থাকার পর মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে দর্শনা স্থলবন্দর দিয়ে প্রীতি পন্ডিত নামের ওই তরুণীকে ভারতীয় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ পুলিশ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের পক্ষে বিএসএফ’র গেঁদে কোম্পানি কমান্ডার অশোক মেহি, ইমিগ্রেশন ইনচার্জ গোপাল চন্দ্র দে, কাস্টমস ইন্সপেক্টর অজয় নারায়ণ, কৃষ্ণগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বাপিন মূর্খাজি, ডিআইও সাধন মণ্ডল ও মানবাধিকার কর্মী চিত্তরঞ্জন দে। বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন বিজিবির আইসিপি কমান্ডার সুবেদার শহিদুল ইসলাম, দর্শনা ইমিগ্রেশন ইনচার্জ এসআই আব্দুল আলিম, দর্শনা থানার (উপপরিদর্শক) এসআই হারুন অর রশীদ, রংপুর সিআইডি ইন্সপেক্টর এনায়েতুর রহমান ও এসআই  রাব্বি।

জানা যায়, প্রেমের টানে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল প্রীতি পন্ডিত। প্রেমিক মিলনের বাড়ি বাংলাদেশের রংপুর জেলায়। তারপর তার পরিবার কৃষ্ণনগর থানায় জিডি করে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। অবশেষে সন্ধান মেলে প্রীতির। রংপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ প্রীতিকে উদ্ধার করে রংপুর শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখে। সেখানেই ৮ মাস ছিল প্রীতি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা ও কৃষ্ণনগর মিলনীনি গার্লস হাইস্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। তার বাবা মণ্টু পন্ডিত ও মা ইতি পন্ডিত থাকতেন কৃষ্ণনগর শহরের ভাতজংলা এলাকায়।


আরও পড়ুন: প্রেমের টানে কাঁটাতারের সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশে ভারতীয় তরুণী


রংপুরের সিআইডি ইন্সপেক্টর এনায়েতুর রহমান জানান, ২৬ জুন সকালে রংপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ উদ্ধার করে প্রীতিকে। সেই থেকে তাকে রাখা হয় রংপুর শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে। প্রেমিক মিলনের সঙ্গে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল প্রীতি। তাকে উদ্ধারের পর তার প্রেমিক মিলন (২২) ও তার সহযোগী হাবিবুরের (২৩) বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা করে পুলিশ। পরে তাদের আটক করা হলে জামিনে মুক্তি পায় তারা।

About

Popular Links