Friday, June 14, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘বাংলার সমৃদ্ধি’র সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার রবিউলকে নিয়ে শঙ্কিত পরিবার

বুধবার ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে রকেট হামলার কবলে পড়ে বাংলাদেশি জাহাজটি। এতে মারা যান জাহাজটির থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান আরিফ

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২২, ০৬:০৬ পিএম

ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে আটকে পড়া জাহাজ “বাংলার সমৃদ্ধি”-তে কর্মরত রবিউল আওয়ালকে (৩২) উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। তাকে প্রাণে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছে পরিবারটি। আরও ২৭ বাংলাদেশি নাবিকের সঙ্গে ১১ দিন ধরে রবিউল জাহাজটিতে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা হোসেন আ

রবিউল “বাংলার সমৃদ্ধি” জাহাজের সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে।

রবিউলের বড় ভাই ডা. আব্দুল আজিজ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “প্রায় ছয় মাস ধরে রবিউল ওই জাহাজে কর্মরত। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি ইউক্রেনের বন্দরে আটকা পড়ে আছেন।”


আরও পড়ুন- ইউক্রেনে বাংলাদেশি জাহাজে রকেট হামলা, প্রকৌশলী নিহত


ডা. আজিজ জানান, বুধবার তার ভাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেসেজ করে জাহাজে রকেট হামলার কথা জানান।

“বাকি ২৮ বাংলাদেশি নাবিক কেমন আছেন তা জানতে পারছি না। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে ফোন করে খবর নিয়েছি রবিউল সুস্থ আছেন। এর বেশি তথ্য তারা দিতে পারছে না,” বলেন রবিউলের বড় ভাই।

রবিউলের বাবা হোসেন আলী বলেন, “আমার ছেলে ইউক্রেনের বন্দরে আটকা পড়েছে। আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাই তাকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক।”


আরও পড়ুন- ইউক্রেনে জাহাজে আটকে পড়া নাবিকদের বাঁচার আকুতি


এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক আতাউল গনি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশা করি দ্রুতই রবিউলসহ সবাইকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সিরামিকের কাঁচামাল লোড করার জন্য ইউক্রেনীয় বন্দর অলভিয়ার বহির্নোঙরে পৌঁছায় “এমভি বাংলার সমৃদ্ধি”। বুধবার সেখানে রকেট হামলার কবলে পড়ে বাংলাদেশি জাহাজটি। এতে মারা যান জাহাজটির থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান আরিফ।


আরও পড়ুন- পূরণ হলো না হাদিসুরের ঘর-সংসারের স্বপ্ন


ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর লোড প্ল্যান বাতিল করে কর্তৃপক্ষ জাহাজের মাস্টারকে বন্দরে বার্থ না করে আন্তর্জাতিক জলসীমায় স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়। কিন্তু বন্দরের ছাড়পত্র পেতে দেরি হওয়ায় বন্দর থেকে ছেড়ে যেতে ব্যর্থ হয় জাহাজটি এবং রুশ আক্রমণের পর বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেটি আটকে পড়ে।

About

Popular Links