Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর তীরে ৪ জনের গু‌লি‌বিদ্ধ লাশ

তবে নিহতদের পরিচয় এখনও জানাতে পারেনি পুলিশ

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২২, ০৫:৫০ পিএম

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি-রুমা সীমান্তের পালংক্ষ্যং এলাকায় চারজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শনিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় স্থানীয় দুটি সশস্ত্র গ্রুপের গোলাগুলির ঘটনায় তারা নিহত হন। 

ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার জেরিন আখতার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) সন্তু গ্রুপের এক ক্যাডারকে গুলি করে বিরোধীপক্ষ। সন্ধ্যার দিকে আহতাবস্থায় তাকে অপহরণ করে ইঞ্জিন নৌকায় নিয়ে যাওয়ার সময় সাঙ্গু নদীর পালংক্ষ্যং এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়।

এতে চারজন মারা যান। স্থানীয়দের ধারণা, নিহতরা স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মগ ন্যাশনাল লিবারেশন পার্টির (এমএনএলপি) সদস্য।

ঘটনার পর সাঙ্গু নদীর তীরে চারজনের মরদহে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রবিবার সকালে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করতে রওনা দেয়। বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা জলপাই রংয়ের পোশাক পরা নিহতদের মরদেহ চরের বাদাম ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে। 

বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নৌপথে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

রবিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে জেলা পুলিশ সুপার জেরিন আখতার বলেন, “কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে বান্দরবানে থাকতে দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসীদের কয়েকটি দল পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের জীবন ক্ষণস্থায়ী।”

প্রসঙ্গত, শনিবার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় সাবেক জেএসএস সদস্য উনুমং মার্মাকে (৪৫) গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এখনও তার মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি বান্দরবানের রুমা উপজেলার বথিপাড়ায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলিতে সেনাসদস্য মো. হাবিবুর রহমান ও তিন জেএসএস সদস্যসহ মোট চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন এক সেনা সদস্য। অভিযানে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি এসএমজি, ২৪৯ রাউন্ড গুলি, তিনটি অ্যামুনেশন ম্যাগজিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

About

Popular Links