Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে ইন্দোনেশীয় তরুণী!

বাংলাদেশে পা রাখার পরদিনই বাংলাদেশি তরুণের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ওই ইন্দোনেশিয়ান তরুণী

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২২, ০৩:১০ পিএম

সামাজিক যোগাযেগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশের তরুণ রাসেল আহমেদের (৩০) সঙ্গে ফানিয়া আইয়প্রেনিয়ার (২৮) পরিচয় চার বছরের পরিচয়। এক সময় দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই প্রেমের টানে ইন্দোনেশীয় তরুণী ফানিয়া সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছেন, সেই সঙ্গে রাসেলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনেও আবদ্ধ হয়েছেন।

প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ফানিয়া আইয়প্রেনিয়া সোমবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশে আসেন। পরদিন মঙ্গলবার (৮ মার্চ) তিনি ও রাসেল আহমেদ বিয়ে করেন। বুধবার (৯ মার্চ) রাসেলের বাড়িতে বিবাহোত্তর অনু্ষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

রাসেলের বাড়ি রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া গ্রামের পোশাক ব্যবসায়ী মনির হোসেনের ছেলে। রাসেলের গ্রামের বাড়িতেই বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। ভিনদেশি নতুন বউকে দেখতে গ্রামের অনেকেই ভিড় জমিয়েছেন।

ফানিয়া ইন্দোনেশিয়ার দিপক এলাকার পাউদি হেলমি ও ফিসুনয়াদি ইসনা ওয়াপির মেয়ে। তিনি সেখানকার একটি কল সেন্টারে চাকরি করেন।

ফারিয়ার সঙ্গে পরিচয়ের প্রসঙ্গে রাসেল জানান, প্রায় ৪ বছর আগে ফেসবুকে ফানিয়ার সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। এরপর থেকে প্রতিদিনই তাদের মধ্যে কথা হতো। সম্প্রতি তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এজন্য ফানিয়া দুই মাসের জন্য বাংলাদেশে এসেছেন। এরপর তাকে আবার ইন্দোনেশিয়ায় চলে যেতে হবে। পরে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে তার থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

বিদেশি জীবনসঙ্গীকে নিয়ে রাসেলের বক্তব্য, ফানিয়ার মধ্যে কোনো জটিলতা, সন্দেহ বা অবিশ্বাসের ছায়া আমি দেখিনি। আমার মনে হয়েছে, আমি তার মধ্যে শান্তি খুঁজে পাব।

বাংলাদেশে আসার অনুভূতি জানিয়ে রাসেলের বিষয়ে ফানিয়া বলেন, “রাসেল খুব যত্ন করে, খোঁজখবর নেয় সবসময়। এতে আমি আপ্লুত। আমার মনে হয়েছে, প্রেম বা বিয়ে যা-ই হোক না কেন, সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে কেয়ারিং।”

ফানিয়া-রাসেলের আইনজীবী মারুফ বিন জাকারিয়া জানান, আদালত থেকে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে রাসেল-ফানিয়ার বিয়ের জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছে। পরে কাজি এনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

About

Popular Links