Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে মুক্তিপণ দাবি, দুই বোন গ্রেপ্তার

জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে আসা এক ফোনকলের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২২, ০৪:১৪ পিএম

সামাজিক যোগাযেগমাধ্যম ফেসবুকে সোলায়মান হক (২৪) নামের এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে লিপি বেগম (২৭) এবং সীমা বেগম (২৫) নামের দুই বোনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৯ মার্চ) দুপুরে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ কথা জানায় অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক দুই বোনের বাড়ি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা এলাকার বড়খাতায়। তারা আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকায় ভাড়া থাকেন।

শ্যামলেন্দু ঘোষ জানান, মঙ্গলবার (৮ মার্চ) দুপুরে একজন কলার জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে তার বন্ধু ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় গিয়েছিল। এরপর তার বন্ধুর মুঠোফোন থেকে তাকে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। টাকা পাঠানোর জন্য একটি বিকাশ নম্বর দেওয়া হয়েছে। টাকা না পাঠালে তার বন্ধুকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, অপহরণকারীদের করা ফোনকলের সময়ে ওই কলার তার বন্ধুকে মারধরের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলেন। তবে আটকে পড়ার আগে তার বন্ধু হোয়াটঅ্যাপে তার গুগল ম্যাপে অবস্থানস্থল পাঠিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী তার বন্ধুকে আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল ন্যাশনাল ব্যাংকের পেছনের একটি ভবনে আটকে রাখা হয়ছে বলে ওই কলার জানান।

আশুলিয়া থানার এসআই জানান, কনস্টেবল মো. রেজোয়ান মিয়া ৯৯৯-এর কলটি রিসিভ করেছিলেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আশুলিয়া থানার ওই সময়ের ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি জানান এবং কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলিয়ে দেন। পরে ৯৯৯ এর এসআই শাহরিয়ার রুবেল কলার এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে পুলিশি তৎপরতার আপডেট নিতে থাকেন।

শ্যামলেন্দু ঘোষ জানান, সংবাদ পেয়ে আশুলিয়া থানার একটি পুলিশ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তরুণকে আটকে রাখা বাড়িটি চিহ্নিত করেন। এরপর বাড়িটিতে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী তরুণকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই তরুণীদের দুই পুরুষ সহযোগী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

About

Popular Links