Wednesday, June 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চেহারা দেখিয়ে ছবি নয়, পরিচয়পত্রে বায়োমেট্রিকের ব্যবহার চান পর্দাশীল নারীরা!

পর্দানশিন হওয়ায় এসব নারীরা চেহারা খুলে ছবি তুলছেন না বা পুরুষকে চেহারা দেখাচ্ছেন না। যার কারণে তারা জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কোনো সরকারি কাগজ তৈরি করতে পারছেন না বলে জানালো মহিলা আনজুমান, রাজারবাগ দরবার শরীফ

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২২, ১২:৪৬ পিএম

পর্দা রক্ষা করে চলেন এমন নারীদের পরিচয় শনাক্তে পর্দার নিয়ম মেনে আধুনিক ও আইনসম্মত বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছে রাজারবাগ দরবার শরীফের মহিলা আনজুমান। একই সঙ্গে সরকারি অফিসে পর্দাশীল নারীদের সুবিধার্থে নারী কর্মকর্তা/কর্মচারী রাখারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২১ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব তুলে ধরেন মহিলা আনজুমান, রাজারবাগ দরবার শরীফের সদস্য শারমিন ইয়াসমিন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “দেশে অসংখ্য পর্দানশিন নারী আছেন, যারা পবিত্র কোরআন-সুন্নাহ অনুসারে পরিপূর্ণ পর্দা করার চেষ্টা করেন। তারা কোন গায়েরে মাহরামকে (যেসব পুরুষের সঙ্গে বিয়ে বৈধ) চেহারা দেখান না। অথচ একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেতে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন নথির সময় চেহারা খুলে ছবি তুলতে হয়। গায়েরে মাহরাম পুরুষকে তার চেহারা দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়।”

“পর্দানশিন হওয়ায় এসব নারীরা চেহারা খুলে ছবি তুলছেন না বা গায়েরে মাহরাম পুরুষকে চেহারা দেখাচ্ছেন না। ফলে তারা জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কোনো সরকারি কাগজ তৈরি করতে পারছেন না। এমনকি কোনো নাগরিক অধিকারও লাভ করতে পারছেন না। পরিস্থিতি বেশি জটিল হয়ে উঠছে বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত নারীদের জন্য। কারণ সামান্য সহযোগিতার জন্য তারা নিকটস্থ মাহরাম পুরুষকে কাছে পাচ্ছেন না। এমন অবস্থায় সন্তান-সন্ততি নিয়ে জীবনধারণ তাদের জন্য বেশ জটিল হয়ে উঠেছে।”

সংগঠনটির দাবি, পরিচয় শনাক্তকরণে আধুনিক যুগে বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতির নাম বায়োমেট্রিক পদ্ধতি। প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ায় এতে শনাক্তকরণ প্রায় শতভাগ নির্ভুল। এ পদ্ধতিতে কখনোই দুই ব্যক্তির মধ্যে মিল পাওয়া যায় না। বয়স বা শারীরিক অবস্থার পরিবর্তনেও এ পদ্ধতিতে কোনো তারতম্য ঘটে না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজারবাগ দরবার শরীফের মহিলা আনজুমানের সদস্য সুমাইয়া আহমদ, মাশহুরা ফিরদাউসী প্রমুখ।

About

Popular Links