Monday, June 17, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টিপ নিয়ে অশালীন আচরণ: দেশজুড়ে হৈচৈয়ের কিছুই জানতেন না ‘ধার্মিক’ কনস্টেবল!

ওই শিক্ষিকার সঙ্গে বাক বিতণ্ডায় লিপ্ত হওয়ার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২২, ০৮:০৩ পিএম

টিপ পরা নিয়ে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় তেজগাঁও কলেজের প্রভাষক লতা সমাদ্দারকে হেনস্তার ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাজমুল তারেককে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারের উপ-কমিশনার ফারুক হোসেন।

সোমবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ডিএমপির গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


আরও পড়ুন- ‘টিপ পরছোস ক্যান’ বলে মাঝরাস্তায় শিক্ষিকার ওপর চড়াও পুলিশ


উপ-কমিশনার ফারুক হোসেন জানান, ওই শিক্ষিকার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় লিপ্ত হওয়ার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে শনাক্ত পুলিশ সদস্যের নাম নাজমুল তারেক। তিনি ডিএমপি প্রটেকশন বিভাগের কনস্টবল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বাগ্বিতণ্ডায়  লিপ্ত হওয়ার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন।


আরও পড়ুন- টিপ পরে প্রতিবাদ করে আক্রমণের শিকার সাজু


এদিকে প্রভাষককে হেনস্তার ঘটনায় সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও সে সম্পর্কে কোনো তথ্যই জানতেন না ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল নাজমুল তারেক। কারণ হিসেবে টেলিভিশন না দেখা এবং বাটন ফোন ব্যবহারকে উল্লেখ করেছেন তিনি। নিউজ বাংলার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ২ এপ্রিল শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন হেনস্তার শিকার হওয়া তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক লতা সমাদ্দার।


আরও পড়ুন- মিথিলা: আমার টিপ নিয়ে মন্তব্য করলে পুড়তে হবে


প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল সকালে কর্মস্থলের দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের পোশাক পরা একজন ব্যক্তি তাকে “টিপ পরছোস কেন” বলে কটূক্তি করেন। তিনি তখন প্রতিবাদ জানালে গায়ের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন ওই পুলিশ সদস্য।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে লতা সমাদ্দার বলেন, “আমি ঠিক পেছনে তাকিয়ে দেখি, একজন পুলিশ একটা বাইকের ওপর বসে আছে। আমি তার প্রতিবাদ করলে সে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে সে গাড়ি স্টার্ট দিয়ে আমার শরীরের ওপর চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমি সটকে যাই, কিন্তু তার বাইরের চাপা আমার পায়ে লাগে। আমার পা ইনজ্যুরড (আহত)।”

About

Popular Links