Tuesday, June 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ছাত্র-দোকানি সংঘর্ষে উসকানিদাতা ২৪ বিএনপি নেতা খুঁজে পেলো পুলিশ

‘এজাহারে যাদের নাম রয়েছে তারা প্রত্যেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পদধারী নেতা। অনেকেই কয়েক বছর ধরে বিদেশে আছেন’

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২২, ০৪:৩৭ পিএম

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের উসকানিদাতা হিসেবে বিএনপির ২৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। দাঙ্গা-হাঙ্গামা, জ্বালাওপোড়াও, পুলিশের কাজের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে পুলিশ তাদের আসামি করেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) গভীর রাতে মামলাটি দায়ের করেন নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়ামিন কবির। সমকালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় ২০০ থেকে ৩০০ জন ব্যবসায়ী ও কর্মচারী এবং ৫০০ থেকে ৬০০ জন ছাত্রকে আসামি করা হয়েছে। তবে এজাহারে উসকানিদাতা ও সরাসরি জড়িত ২৪ জনের নাম রয়েছে। এরা প্রত্যেকেই নিউমার্কেট থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা। তবে এজাহারে তাদের দলীয় পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি।

এ বিষয়ে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ ম কাইয়ুম বলেন, “মামলায় যাদের নাম রয়েছে, তাদেরকে উসকানিদাতা হিসেবে অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তারা কোনো রাজনৈতিক দলের কি-না সেটি মামলায় উল্লেখ নেই।”

এজাহারে হামলার উসকানিদাতা হিসেবে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মকবুলকে। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য। যে দুটি দোকানের কর্মচারীদের নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত; ওই দুটি দোকানের মালিক তিনি। তবে দোকানগুলো চালান তার দুই চাচাতো ভাই।

এ ছাড়াও আসামি করা হয়েছে আমীর হোসেন আলমগীর, মিজান, টিপু, হাজি জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারি, হাসান জাহাঙ্গীর মিঠু, হারুন হাওলাদার, শাহ আলম শন্টু, শহীদুল ইসলাম শহীদ, জাপানি ফারুক, মিজান ব্যাপারী ও আসিফ নামের একজনকে উস্কানিদাতা হিসেবে আসামি করা হয়। অন্য ১২ জনের মধ্যে সরাসরি হামলার আসামি হিসেবে রহমত, সুমন, জসিম, বিল্লাল, হারুন, তোহা, মনির, বাচ্চু, জুলহাস, মিঠু, মিন্টু, বাবুলসহ অচেনা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে।

মামলার প্রধান আসামি অ্যাডভোকেট মকবুল সমকালকে জানান, নিউমার্কেট এলাকায় তিনি গত সাত মাস ধরে যান না। আর ঘটনার সময় সেখানে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। তিনি ওই দুটি দোকানের মালিক হলেও সেগুলো পরিচালনা করেন তার দুই চাচাতো ভাই। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্যই পুলিশ তাকে মামলায় জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এজাহারে যাদের নাম রয়েছে তারা প্রত্যেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পদধারী নেতা। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই পুলিশ সবার নাম জুড়ে দিয়েছে। অনেকেই কয়েক বছর ধরে বিদেশে।

About

Popular Links