Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, আট বছরের কারাদণ্ড

২০১৯ সালের ১৮ অক্টোবর ‘বিপ্লব চন্দ্র শুভ’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ওঠে

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২২, ১০:০২ এএম

ভোলার বোরহানউদ্দীনে এক ব্যক্তির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর দায়ে বাপন দাস নামে এক তরুণকে সাজা দিয়েছেন আদালত। বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক বাপনকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং চার লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছর কারাদণ্ডের সাজা দেন।

মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রবিবার (২৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক গোলাম ফারুক এই রায় দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক আহমেদ রুবেল ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

তিনি জানান, ১৬৪ ধারার জবানবন্দি দেওয়া আসামি বাপন দাসকে ৩৪ ধারায় আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড; ২৮ এর ১ ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩১ এর ১ ধারায় চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। 

সব দণ্ড একই সঙ্গে কার্যকর হবে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

২০১৯ সালের ১৮ অক্টোবর “বিপ্লব চন্দ্র শুভ” নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় ওই দিনই বিপ্লব চন্দ্র তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে উল্লেখ করে বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ‌এ ঘটনায় পুলিশ বিপ্লব চন্দ্র, ইমন, রাফসান নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই তিনজনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় বাপন দাস নামের এক হ্যাকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। আদালতে তার বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১ আগস্ট অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক ওই রায় দেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ মাঠে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। সে সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে হয়। গুলিতে চারজন নিহত হন। ওই ঘটনায় বোরহানউদ্দিন থানায় আরও দুটি পৃথক মামলা দায়ের হয়। যা এখনও আদালতে বিচারাধীন।

About

Popular Links