Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরি করে মালিকের কাছেই বিক্রি করতো চক্রটি

অনেক গাড়ির যন্ত্রাংশ আলাদাভাবে আমদানি করা হয় না বা কিনতেও পাওয়া যায় না

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২২, ০৩:৪৭ পিএম

বিপুল পরিমাণ গাড়ির চোরাই যন্ত্রাংশসহ চোর চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগ। তাদের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকার পল্টন ও ভাটারা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলননে ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম এ কথা জানান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- এনামুল মোল্লা, এনামুল হক ওরফে এনাম, বকুল চৌধুরী, শরিফ আহম্মেদ ওরফে কালু, বিল্লাল হোসেন, ইকবাল হোসেন ওরফে পলাশ ও ইকবাল খান। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছে বিভিন্ন মডেলের প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও জিপ গাড়ির ১২৪ পিস সাইড লুকিং মিরর, ১৯ পিস সাইড মিররের কভার, ১০৭ পপিস লুকিং গ্লাসের কর্নার বিট, ২ পিস হেরিয়ার জিপ গাড়ির গ্রিল লগো, ১২ পিস কমপ্লিট মিরর, ৩০ পিস এক্সিও প্রাইভেটকারের দরজার বিট, ১৮ পিস কমপ্লিট সাইড মিরর, ৬ জোড়া বাম্পার ক্যাপ ও ২৬ পিপিস পেছনের ডালার বিট পাওয়া যায়।

মাহবুব আলম বলেন, “গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে চোরদের কাছ থেকে গাড়ির চোরাই যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে কার প্লাস মার্কেটের কালু, বিল্লাল, স্কাউট মার্কেটের চুন্নু, পলাশ, বারিধারার ইকবাল, মহাখালী জেবা মার্কেটের নাহিদ, পরান, মামুন ও ধোলাই খালের সানালদের কাছে  বিক্রি করতো। তাদের নামে আগেও চোরাই যন্ত্রাংশ কেনাবেচার মামলা রয়েছে। তারা ৭-৮ বছর ধরে গাড়ির চোরাই যন্ত্রাংশ কেনাবেচায় জড়িত। অনেক ক্ষেত্রে তারা যে মালিকের পার্টস চুরি করে, দোকানদার সেই পার্টস পুনরায় উচ্চ দামে ওই মালিকের কাছেই বিক্রি করে। কারণ অনেক গাড়ির নতুন পার্টস মার্কেটে আলাদাভাবে আমদানি করা হয় না বা কিনতেও পাওয়া যায় না।”

তিনি আরও বলেন, “চোরাই পার্টস চুরির পর মুহূর্তেই চোরের ওস্তাদের মাধ্যমে তা পার্টসের দোকানে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করে দেয়।প্রাথমিকভাবে চোরাই পার্টস বিক্রি করা ৭টি দোকানের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে পল্টন স্কাউট মার্কেটে ২টি, মহাখালী জেবা টাওয়ারে ৩টি, ধোলাইখালে একটি ও বারিধারা জে-ব্লকে একটি দোকান রয়েছে।”

About

Popular Links