Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টিকিট কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে জিডি করায় স্টেশন মাস্টারকে শোকজ

রেলওয়ের নিয়ম ভঙ্গ করে পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে জিডি করায় খুলনা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে

আপডেট : ১৯ মে ২০২২, ০৮:৩৯ পিএম

রেলওয়ের নিয়ম ভঙ্গ করে পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করায় খুলনা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। এর সঙ্গে সেই পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিভিন্ন স্টেশনে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বিকেলে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক পাকশী মো. শাহেদুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

তিনি বলেন, “স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার রেল প্রশাসনকে না জানিয়ে পুলিশে জিডি করেছেন, যেটা সঠিক করেননি। সে কারণে তাকে শোকজ করা হয়েছে। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে মানিক চন্দ্রকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। তিনি যে অভিযোগ করেছেন তা আমরা তদন্ত করছি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাদের বিভিন্ন স্টেশনে বদলির অর্ডার করেছি।”

এর আগে ১৬ মে খুলনা মানিক চন্দ্র সরকার টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ এনে দু’জন সহকারী স্টেশন মাস্টারসহ পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

যাদের বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে তারা হলেন- টিএক্সআর বায়তুল ইসলাম, আইডব্লিউ অফিসের মো. জাফর মিয়া, তোতা মিয়া, সহকারী স্টেশন মাস্টার মো. আশিক আহমেদ ও সহকারী স্টেশন মাস্টার মো. জাকির হোসেন।

খুলনা স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার জিডিতে উল্লেখ করেছেন, খুলনা আইডব্লিউ অফিস স্টাফ, দুইজন সহকারী স্টেশন মাস্টারসহ পাঁচজন কর্মকর্তা এবং আরও ৪/৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি সরাসরি টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নামে ভুয়া টিকিটের চাহিদা দিয়ে সংগ্রহ করেন। টিকিট না পেলে বহিরাগত লোকদের ডেকে এনে সংঘবদ্ধ হয়ে মাস্টারকে হেনস্থা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তাদের টিকিটের চাহিদা এতোটা বেড়েছে যে টিকিট না পেলে স্টেশন ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও মারধর করার মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পায়তারা করছে। প্রকৃতপক্ষে রেলের কোনো ভিআইপি টিকিট সংরক্ষিত নেই। কিন্তু তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এ কাজে লিপ্ত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং স্টেশনের শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এই জিডি করা হয়েছে।

এদিকে যাদের বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে তারা বলেন, “আমরা টিকিট কালোবাজারি করেছি তার কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না স্টেশন মাস্টার। সংরক্ষিত কোটার টিকিটগুলো সব সময় স্টেশন মাস্টার নিজে মেনমেইন করতেন। আমাদের তিনি তালিকা দিলে আমরা সেই তালিকা অনুযায়ী টিকিট বিক্রি করতাম। যার প্রমাণ আছে আমাদের কাছে।”


About

Popular Links