Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হলের ‘বিনামূল্যের’ তালা খুলতে ছাত্রীদের গুনতে হচ্ছে ৮০০ টাকা

ঘটনাটি ঘটেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে

আপডেট : ২১ মে ২০২২, ১২:০০ পিএম

হলের প্রতিটি কক্ষের জন্য বিনামূল্যে তালা সরবরাহ করেছিল হল প্রশাসন। তবে, তালার সঙ্গে কোনো চাবি না দেওয়ায় প্রত্যেক  শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। আর বিনামূল্যের তালার চাবির জন্য এ টাকা নেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছে হলের শিক্ষার্থীরা।

ঘটনাটি ঘটেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে।

জানা গেছে, ১৬ তলা বিশিষ্ট এ হলে ১৫৬টি কক্ষ রয়েছে। প্রতিটি কক্ষে ৮ জন করে শিক্ষার্থী থাকেন। তাই, বিনামূল্যে পাওয়া তালার জন্য প্রতিটি কক্ষ থেকে ৮০০ টাকা করে আদায় করছে হল প্রশাসন। অথচ, হল কর্তৃপক্ষের বিনামূল্যে দেওয়া “আলিফ প্রিমিয়ার” ব্র‍্যান্ডের ৮টি চাবিযুক্ত তালার বাজারমূল্য ৩৫০ টাকা আর ১২টি চাবিযুক্ত একই ব্র‍্যান্ডের তালার দাম ৪২০ টাকা।

সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দ্বিগুণেরও বেশি টাকা আদায় করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন আবাসিক হলের ছাত্রীরা।

হলের এক ছাত্রী বলেন, “প্রশাসন বলছে, তালা ফ্রি, শুধু চাবির জন্য ১০০ টাকা দিতে হবে। ৮ জনের রুমের সবাইকে চাবির জন্য মোট ৮০০ করে দিতে হচ্ছে। অথচ বাজারে একই ব্র‍্যান্ডের তালার দাম অর্ধেকেরও কম।”

বিষয়টিকে প্রশাসনের বাটপারি মন্তব্য করে ওই শিক্ষার্থী বলেন, “শিক্ষার্থীদের ভর্তুকি দেওয়ার নামে তালা-চাবির ব্যবসা করছে হল প্রশাসন।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “একটি চাবি বানাতে বাজারে মিস্ত্রিরা ৩০-৪০ টাকা নেয়। আর হল কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকের থেকে ১০০ টাকা আদায় করছে।”

বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিনিয়া আফ্রিন বলেন, “তালা-চাবির দাম তো এতো বেশি না। হল কর্তৃপক্ষ তালা ফ্রি দিচ্ছে। কিন্তু, তালার সঙ্গে তো চাবি এমনিতেই থাকে। তাহলে আলাদা টাকা কেন দিতে হবে?”

তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি হল প্রভোস্টের সঙ্গে কথা বলবেন।

এ বিষয়ে হলের আবাসিক শিক্ষক ড. শরাবান তোহুরা বলেন, “তালা-চাবি কেনা ও বণ্টন কমিটির আহ্বায়ক আবাসিক শিক্ষক প্রতিভা রানী কর্মকার। আমি এ কমিটিতে নেই তাই তালা-চাবি কীভাবে বণ্টন করা হচ্ছে, কত টাকা নেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।”

তবে, হলের আবাসিক শিক্ষক ও তালা-চাবি বণ্টন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. প্রতিভা রানী কর্মকার এবং হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামীমা বেগমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

About

Popular Links