Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দৌলতদিয়ায় ৬ কিলোমিটার জুড়ে যানজট

শুক্রবার দুটি ঘাট বন্ধ থাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে

আপডেট : ২১ মে ২০২২, ০৪:২৮ পিএম

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ বলছে, শুক্রবার (২০ মে) দৌলতদিয়ার দুটি ঘাট বন্ধ থাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার সকালে ঘাট এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ও বাসের দীর্ঘ সারি। ঘাট থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কেও অপচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকের সারি।

জানা গেছে, পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ও বাসগুলোর ফেরিতে উঠতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা এবং অপচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর ক্ষেত্রে এক থেকে দুই দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

কুষ্টিয়া থেকে আসা ট্রাকচালক আকরাম হোসেন বলেন, “গতকাল থেকে আটকে আছি। শুনেছি ঘাট নষ্ট। এক দিন পার হয়ে গেল তাও ফেরিতে উঠতে পারলাম না। এর মধ্যে রাতে ও সকালে বৃষ্টিও হয়েছে। এভাবে বসে থাকা যায়?”

আরেক ট্রাকচালক শান্ত মণ্ডল বলেন, “কালকে ঘাট এলাকায় এসে পৌঁছেছি। আজকেও ঘাটে যেতে পারলাম না। কখন ফেরি পার হতে পারব বুঝতে পারছি না। এই ফাঁকা রাস্তার দুই পাশে কোনো হোটেল নেই, বাথরুম নেই। কীভাবে এতো সময় অপেক্ষা করা? আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই।”

সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য ফেরির অপেক্ষারত যাত্রী সৌরভ হাসান বলেন, “মাঝরাত থেকে জ্যামে আটকে আছি। আর কিছুক্ষণের মধ্যে ফেরিতে উঠতে পারব মনে হচ্ছে। সকাল ৮টার দিকে ঢাকায় পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। সেখানে দুপুরের মধ্যেও পৌঁছাতে পারব না।”

দুইটি ঘাট বন্ধ থাকায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা ট্রিবিউন

যানজটের বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান বলেন, “পদ্মা নদীতে হঠাৎ করে পানি বাড়ায় ১৬ ঘণ্টা দুটি ঘাট বন্ধ ছিল। বিকেল ৪টার দিকে ঘাটগুলো চালু হলে যান চলাচল আবারও শুরু করা হয়। তবে এর মধ্যেই অপেক্ষারত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়ে গেছে।”

অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস পারাপার করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মার গেজ পাঠক সালমা খাতুন বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ৪৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৬.৪৪ সেন্টিমিটার সীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপদসীমার থেকে মাত্র ২.২১ সেন্টিমিটার কম।”

About

Popular Links