Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভারতে বাংলাদেশি তরুণীকে গণধর্ষণ, ১১ বাংলাদেশির কারাদণ্ড

২০২১ সালে বাংলাদেশি ওই তরুণীকে বেঙ্গালুরুতে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়৷ ঘটনার মূলহোতা টিকটকার হৃদয় বাবুসহ ১১ জনকে সাজা দিয়েছেন 

আপডেট : ২৩ মে ২০২২, ০৫:৩২ পিএম

ভারতের বেঙ্গালুরুতে এক স্বদেশি তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে টিকটকার হৃদয় বাবুসহ সাত বাংলাদেশির যাবজ্জীবন এবং চারজনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছে৷ বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত এ রায় দেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস৷

নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশি তরুণীকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে৷ তার সঙ্গে পাচারের শিকার আরও তিন তরুণী দেশে ফিরছেন৷ 

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, তাদের ঢাকায় আনা হচ্ছে৷ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে তাদের রাখা হবে৷

২০২১ সালে বাংলাদেশি ওই তরুণীকে বেঙ্গালুরুতে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়৷ নির্যাতনের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর উভয় দেশের পুলিশের তৎপরতায় নির্যাতনকারী ও মানবপাচার চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়৷

শুক্রবার ওই বাংলাদেশি তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনায় আলোচিত টিকটকার হৃদয় বাবুসহ ১১ বাংলাদেশির সাজা হয়৷ ১১ জনের মধ্যে সাতজনকে যাবজ্জীবন এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত৷

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- চাঁদ মিয়া, মোহাম্মদ রিফাকদুল ইসলাম (হৃদয় বাবু), মোহাম্মদ আলামিন হোসেন, রকিবুল ইসলাম, মোহাম্মদ বাবু শেখ, মোহাম্মদ ডালিম ও আজিম হোসেন৷

তানিয়া খান নামের এক নারী আসামির ২০ বছর এবং মোহাম্মদ জামাল নামের একজনের পাঁচ বছরের দণ্ড দিয়েছেন বিচারক৷ আর ফরেনার্স অ্যাক্টের অধীনে নুসরাত ও কাজল নামে দুজনের ৯ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে৷ বিচারে খালাস পেয়েছেন একজন৷

২০২০ সালের মে মাসে বেঙ্গালুরুতে ২২ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি তরুণীকে বিবস্ত্র করে শারীরিক নির্যাতনের পর গণধর্ষণ করা হয়৷ কয়েক দিন পর নির্যাতনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়৷

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি দেখার পর প্রথম পদক্ষেপ নেয় আসাম পুলিশ৷ ওই ভিডিও থেকে পাঁচ নিপীড়কের ছবি প্রকাশ করে তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য টুইটারে পুরস্কারের ঘোষণা দেয় তারা৷ পরে ওই ঘটনায় বেঙ্গালুরু পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে৷ এদের মধ্যে হৃদয় বাবুসহ দুজন পালানোর সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গ্রেপ্তার হয় বলে তখন জানায় ভারতের পুলিশ৷

ওই ঘটনায় ঢাকার হাতিরঝিল থানায় মানবপাচার ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন নির্যাতিত মেয়েটির বাবা৷ যার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার পুলিশ হৃদয় বাবুর সহযোগীসহ অনেককেই গ্রেপ্তার করে। এতে বেরিয়ে আসে মানবপাচারের আরও অনেক তথ্য৷

About

Popular Links