Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রবিবার অবৈধ ক্লিনিক-হাসপাতাল বন্ধ না হলে ব্যবস্থা

রবিবারে মধ্যে যেসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে না, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে অধিদপ্তর

আপডেট : ২৮ মে ২০২২, ০৭:৫৪ পিএম

অনিবন্ধিত ও নবায়নবিহীন বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রবিবার (২৯ মে) সেই সময় শেষ হচ্ছে। 

এ সময়ের মধ্যে যেসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে না, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে অধিদপ্তর। ইতোমধ্যেই এ রকম কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানিয়েছে বাংলা ট্রিবিউন।

ডা. মো. বেলাল হোসেনে বলেন, “অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। এর মধ্যে আমরা সময় বেঁধে দিয়েছি। সেই সময় শেষ হলে আমরা বসব। নিবন্ধনের কতটা অগ্রগতি হয়েছে, অবৈধ কতগুলো ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হয়েছে, আমরা তা দেখব। এরপর সে অনুযায়ী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তাদের সঙ্গে বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা নেব।”

তিনি আরও বলেন, “দেশে কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই। নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে, সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি যে, এতগুলো আবেদন এসেছে, এতগুলো লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, এতগুলো ওয়েটিংয়ে আছে। তবে যারা আবেদনই করেনি, তাদের তথ্য আমরা জানব কী করে?”

তালিকা ছাড়া অভিযান কীভাবে করা হচ্ছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “অবৈধগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা না থাকলেও বৈধদের তালিকা জেলা সিভিল সার্জনদের কাছে রয়েছে। যেমন ধরুন, নরসিংদী জেলায় ৫০টি নিবন্ধিত ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে- সেই তালিকটি ওই জেলার সিভিল সার্জনের কাছে রয়েছে। এর বাইরে যেগুলো রয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে অবশ্যই সিভিল সার্জন বলতে পারবেন। সে অনুযায়ী আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। অভিযানের ক্ষেত্রে সিভিল সার্জনের বড় একটি ভূমিকা রয়েছে।”

এর আগে, বুধবার অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবিরের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মনিটরিং ও সুপারভিশন বৃদ্ধির বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে (রবিবার পর্যন্ত) দেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করতে হবে। অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন গ্রহণ করলেও নবায়ন করেননি, তাদের নিবন্ধন নবায়নের জন্য সময়সীমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নবায়ন না করলে, সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে অপারেশনের সময় অ্যানেস্থিশিয়া প্রদান ও ওটি অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত চিকিৎসক ছাড়া অন্যদের রাখা হলে সেসব প্রতিষ্ঠান ও জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছে, তাদের লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। লাইসেন্সপ্রাপ্তির আগে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

About

Popular Links