Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

১০ লাখে বিক্রি হবে ‘মেসি’

প্রায় ৩২ মণ ওজনের ষাঁড়টিকে আদর করে নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেসি’

আপডেট : ৩০ জুন ২০২২, ০৯:৪৮ পিএম

আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। ইতোমধ্যেই নজর কাড়তে শুরু করেছে ভিন্ন ভিন্ন নামের বিশাল আকৃতির গরু। এরই ধারবাহিকতায় টাঙ্গাইলে আলোচনায় এসেছে “মেসি” নামের প্রায় ৩২ মণ ওজনের একটি ষাঁড়।

কালিহাতী উপজেলার মীরহামজানি গ্রামের আল আমিন তার খামের এ ষাঁড়টি পালন করেছেন। কালো-সাদার মিশেল রঙের ষাঁড়টিকে আদর করে নাম দিয়েছেন “মেসি”।  প্রতিদিন তার এ ষাঁড়টি দেখার জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসছেন। আল আমিন তার পছন্দের এ ষাঁড়টির দাম হেঁকেছেন ১০ লাখ টাকা। 

এ বিষয়ে খামারি আল আমিন বলেন, “আশা করছি এ ষাঁড়টি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবো। অনলাইনে মেসির বিজ্ঞাপন দেখে অনেক ক্রেতাই আসছেন। প্রত্যাশিত দাম পেলে বিক্রি করে দিব।”

জানা গেছে, সরকারি চাকরি না পেয়ে বাবার পরামর্শে প্রায় ১০ বছর আগে গরুর খামার গড়ে তোলেন আল আমিন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। খামার করে তিনি বেশ সাবলম্বী হয়েছেন। তার খামারে বর্তমানে ৩৫টি গরু রয়েছে। প্রতিবছর ৫ থেকে ৮টি কোরবানির ষাঁড় বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন তিনি। তার খামারে কর্মসংস্থান হয়েছে ৮ জন শ্রমিকের।

আল আমিন জানান, ২০০৬ সালে সল্লা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন তিনি। উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন এলেঙ্গা শামছুল হক কলেজে। ওই কলেজ থেকেই ২০১৩ সালে স্নাতক (বিএসএস) পাস করেন। পরে চাকরির চেষ্টা শুরু করেন। কিন্তু চাকরি না হওয়ায় তার বাবা তাকে পরামর্শ দেন গরুর খামার করার। 

খামারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং অন্যদের খামারের প্রতি উৎসাহিত করতে প্রতিবছর আল আমিন প্রতিবছর অনন্ত একটি করে বিশাল আকৃতির ষাঁড় বানাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তার বাবা হাশেম আলী। 

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা রানা মিয়া বলেন, “খামারিদের প্রশিক্ষণসহ সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। কোরবানিকে সামনে রেখে অনলাইনে গরু বিক্রিসহ নানা ভাবে সহযোগিতা করা হবে। যাতে গরু বিক্রিতে খামারিদের কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।”

About

Popular Links