Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘ঈদে পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলার সম্ভাবনা নেই’

আসন্ন ঈদ-উল-আজহার আগে পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২২, ০৪:০৮ পিএম

আসন্ন ঈদ-উল-আজহার আগে পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, “পদ্মা সেতুতে স্পিড গান এবং সিসি ক্যামেরা বসানোর পর মোটরসাইকেল চলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

রবিবার (৩ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “পদ্মা সেতুতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ক্যামেরা ও স্পিডগান বসানো হবে। এরপর মোটরসাইকেল চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে ঈদের আগে মনে হয় না এটা হবে।”

২৮ জুন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, স্পিড গান ও ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) বসানোর পর পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেবে কর্তৃপক্ষ।

তিনি তখন বলেন, “পদ্মা সেতুতে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোটরসাইকেল বন্ধ করা হয়নি।”

এরপর ২৯ জুন সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান বলেন, “ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গার মধ্যে ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে সওজ। তবে মূল চার লেনের মহাসড়কের বাইরে দুই পাশের সড়কে (সার্ভিস লেন) মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।”


যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার প্রথম দিনেই পদ্মা সেতুতে বেপরোয়া গতিতে চলতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল মেহেদি হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন


সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার পর দ্রুতগতির মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে বলেও এ সময় জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২৬ জুন যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার পর পদ্মা সেতুতে বেশ কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেল চালকদের অতিমাত্রায় বিশৃঙ্খলার পাশাপাশি ঘটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাও। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার থেকে সেতুতে মোটরসাইকেল ওঠা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেড়েছে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে প্রতিনিয়ত। এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ সব মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। তবে এই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

About

Popular Links