Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নারায়ণগঞ্জে মেঘনা গ্রুপের কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

আগুনে কারখানা ও গুদামে মজুদ রাখা বিপুল পরিমাণ কাগজের কার্টন ও ফয়েল পুড়ে গেছে বলে কারখানা সূত্রে জানা গেছে

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২২, ০২:২৪ পিএম

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা গ্রুপের “সোনারগাঁও প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং” নামের একটি কার্টন তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ৪ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ও মেঘনা গ্রুপের ৬টি ইউনিটসহ রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেমের অত্যাধুনিক রোবটের মাধ্যমে এ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

সোমবার (৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে আগুন লাগে। ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বলেন, “সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাই। সঙ্গে সঙ্গেই ৭টা ৪৩ মিনিট থেকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। প্রথমে ৪টি পরে ১১টি ও মেঘনা গ্রুপর ৬টি মিলিয়ে ১৭টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।”

তিনি বলেন, “কারখানার ভেতরে বিপুল পরিমাণ অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ও কার্টন ছিল। এগুলো দাহ্য পদার্থ হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় ১১টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আগুন নেভাতে রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেমের অত্যাধুনিক রোবট ব্যবহার করা হয়েছে। আগুনে কেউ দগ্ধ না হলেও ধোঁয়ায় একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে এখনই বলা যাচ্ছে না। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখন তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে।”

প্রত্যক্ষদর্শী ও কারখানা শ্রমিকদের সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে সোনারগাঁয়ের ট্রিপরদী এলাকার মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোনের ভেতরের প্যাকেজিং কারখানার নিচতলা থেকে ধোয়া বের হতে দেখেন শ্রমিকরা। ধোঁয়ার উৎস খুঁজতে গিয়ে তারা দেখেন আগুন জ্বলছে। প্রাথমিকভাবে নিজেরা নেভাতে চেষ্টা করলেও দাহ্য পদার্থের কারণে মূহুর্তের মধ্যে আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সোনারগাঁ, গজারিয়া, ডেমরাসহ, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মোট ১১টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় মেঘনা গ্রুপের নিজস্ব আরও ছয়টি ইউনিট।

তবে আগুনে কারখানা ও গুদামে মজুদ রাখা বিপুল পরিমাণ কাগজের কার্টন ও ফয়েল পুড়ে গেছে বলে কারখানা সূত্রে জানা গেছে।

About

Popular Links