Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দুই দিনে ট্যানারিমালিকদের সংগ্রহে সাড়ে ৫ লাখ চামড়া

গত বছরের কোরবানির ঈদে ট্যানারিমালিকেরা প্রায় তিন লাখ কাঁচা চামড়া কিনেছিলেন

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২২, ০১:১৬ পিএম

এ বছরের ঈদ-উল-আজহার দিন এবং ঈদের পরদিন সরাসরি সাড়ে ৫ লাখ কাঁচা চামড়া কিনেছেন ট্যানারিমালিকরা, যা কি-না গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় লাখ বেশি। গত বছরের কোরবানির ঈদে ট্যানারিমালিকেরা প্রায় তিন লাখ কাঁচা চামড়া কিনেছিলেন। অন্যদিকে, এবার ঈদের দিনেই  সাড়ে ৩ লাখ চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ এ কথা জানান।

বিটিএ চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, “রবিবার ও সোমবার (১০ ও ১১ জুলাই) দুই দিনে ট্যানারিমালিকেরা সরাসরি সাড়ে পাঁচ লাখ কাঁচা চামড়া কিনেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের আড়ত ও হাট থেকে তারা লবণযুক্ত চামড়া কেনা শুরু করবেন।”

সাধারণত মৌসুমি ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা লবণ দিয়ে কোরবানির চামড়ার বড় অংশ সংরক্ষণ করে থাকেন। সেই সঙ্গে ট্যানারি মালিকেরা সরাসরি কিছু সংখ্যক কাঁচা চামড়া কেনেন। তবে ২০১৭ সালে ঢাকার র হাজারীবাগ থেকে ২০১৭ সালে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের পর থেকে ট্যানারিমালিকেদের সরাসরি কাঁচা চামড়া কেনার পরিমাণ বেড়েছে।

বিটিএ চেয়ারম্যান বলেন, “এবার আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রায় এক কোটি চামড়া সংগ্রহ করা। কিন্তু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, এবার সারা দেশে ৯৯ লাখ গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে খাসি ও বকরির চামড়া রয়েছে। তার একটি অংশ আবার নষ্টও হয়েছে। এ কারণে এবার শেষ পর্যন্ত ৯০–৯৫ লাখ চামড়া সংগ্রহ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

দৈনিক প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১১ জুলাই) অর্থাৎ ঈদের দিন দুপুরে ঢাকার পোস্তা এলাকায় ছোট আকারের গরুর চামড়া ২০০–২৫০ টাকায়, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া মানভেদে ৩০০–৭৫০ টাকা এবং বড় আকারের গরুর চামড়া ৮০০–১,১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

তবে অধিকাংশ আড়তদার ছোট আকারের গরুর চামড়া এবং খাসি ও বকরির চামড়া কিনতে অনাগ্রহী ছিলেন। বিকেলে ছোট আকারের গরুর চামড়া কেউ বিক্রি করতে আনলে ব্যবসায়ীরা ১০০ টাকা দাম হাঁকান। এছাড়া, খাসি ও বকরির চামড়া ১০ টাকার বেশি বিক্রি হওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঈদের দিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত দামের চেয়ে কম মূল্যে কাঁচা চামড়ার বিক্রি হয়েছে  কি-না জানতে চাইলে শাহীন আহমেদ বলেন, “আমার মনে হয় যে দামে কাঁচাচামড়া কেনাবেচা হয়েছে, তা ঠিক আছে। কারণ, একটি চামড়ায় অন্তত ৭-৮ কেজি লবণ দিতে হয়। প্রায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা শ্রমিক খরচ আছে। তাছাড়া, পরিবহন ও আড়ত খরচ আছে। সব মিলিয়ে প্রতিটি চামড়া সংরক্ষণে ২০০–২৫০ টাকা লাগে। সুতরাং ওই হিসাবে চামড়ার দাম ঠিকই ছিল।”

About

Popular Links