Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মাগুরায় কেএমপির এডিসি লাবনীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কেএমপির গোয়েন্দা বিভাগের এই কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২২, ০৮:৪৩ পিএম

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) খন্দকার লাবনী আক্তারের গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) ভোররাতে মাগুরার শ্রীপুর থেকে এই পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, খন্দকার লাবনী আক্তার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন মাগুরার শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) পরিদর্শক মোশারফ হোসেন।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান বলেন, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামে নানা বাড়িতে বেড়াতে আসেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার লাবনী আক্তার। বৃহস্পতিবার সকালে সেখান থেকে তার গলায় ওড়না পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

মোশারফ হোসেন বলেন, উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য খন্দকার লাবনী আক্তারের মরদেহ মাগুরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া উইং আনোয়ার হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, গত ১৮ জুলাই থেকে ছুটি নিয়ে গোয়েন্দা বিভাগের এডিসি (অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার) লাবনী আক্তার মাগুরায় নানার বাড়ি যান। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তার স্বামী তারেক আব্দুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার এডি। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত তারেক বর্তমানে চিকিৎসার জন্য ভারতে রয়েছেন। লাবনী বিসিএস ৩০ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন।

লাবন্যর মামা যশোর বিমান বাহিনী কলেজের সহকারী প্রফেসর মোল্লা হাসিবুর রহমান বলেন, লাবনীর সঙ্গে তার স্বামী তারেক আবদুল্লাহর মনোমালিন্য ছিল। সে কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে। তার মৃত্যুর পর তার মা সংজ্ঞা হারিয়েছেন। লাবনীর বাবা মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল আজমও অসুস্থ।

আরও পড়ুন

About

Popular Links