Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কুমিল্লায় শিক্ষকের মারধরের কয়েকদিন পর ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ

শুক্রবার (৫ আগস্ট) কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ওই মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২২, ০৯:০৮ পিএম

কুমিল্লার বরুড়ায় আব্দুর রব নামের এক শিক্ষকের বেতের আঘাতে এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। 

অভিযুক্ত শিক্ষকের মারধরের কয়েকদিন পর শুক্রবার (৫ আগস্ট) কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সিহাবের মৃত্যু হয়।

নিহত মাদ্রাসাছাত্রের নাম মো. সিহাব। সে উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের শশইয়া গ্রামের ডিলার বাড়ির শুকুর আলী ডিলারের ছেলে।

সিহাব মেড্ডা আল মাতিনিয়া নূরানী মাদ্রাসার ছাত্র। সে ওই মাদরাসার শিক্ষক আব্দুর রবের তত্বাবধানে নূরানী শিক্ষা গ্রহণ করছিল।

নিহত সিহাবের ভাবী সাবিকুন নাহার ঝুমুর জানান, কয়েকদিন আগে মেড্ডা মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুর রব কোনো এক কারণে সিহাবকে বেত্রাঘাত করেন। এ সময় সিহাব অসুস্থ হয়ে পড়লে শিক্ষকরা তাকে ওষুধ এনে খাওয়ান। এতেও সে সুস্থ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে ফোন করে সিহাবের অসুস্থতার খবর জানানো হয়। পরে আমার শ্বশুর সিহাবকে বাড়িতে নিয়ে আসে।

তিনি আরও জানান, সিহাবের অবস্থা খারাপ হওয়ায় শুক্রবার সকালে তাকে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার আগেই দুপুর ১টার দিকে সিহাবের মৃত্যু হয়।

বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা বলেন, ছেলেটার (সিহাব) অবস্থা ভালো ছিল না। তাই তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু পরে শুনেছি সে পথেই মারা যায়।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুর রবের সঙ্গে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে তাকে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। 

মেড্ডা আল মাতিনিয়া নূরানী মাদ্রাসার মুহতামিম (প্রধান) মাওলানা আহমেদ শফির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি সিহাবের পরিবারের সঙ্গে কথা বলছি। পরে আপনাদের সঙ্গে কথা হবে। এই কথা বলেই কল কেটে দেন।

ঝলম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, আমি স্থানীয় মেম্বারের কাছে শুনেছি মাদ্রাসার একজন শিক্ষক তাকে প্লেট দিয়ে আঘাত করেছে। মাদ্রাসায় খোঁজ নিয়ে শুনেছি এমন কিছুই, তবে গুরুতর কিছু হয়নি। আমি এখন ঘটনাস্থলে যাচ্ছি, মাদরাসা কমিটির সঙ্গে কথা বলে দেখি কী করা যায়। 

বরুড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ঘটনা শুনেছি। এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। গিয়ে জানাবো। 

About

Popular Links