Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা: কক্সবাজারের জেলা প্রশাসককে হাইকোর্টে তলব

২০১১ সালের ৭ জুন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমুদ্র সৈকত এলাকার অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২২, ০৩:০৯ পিএম

কক্সবাজারের ঝিলংজা, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টসহ সমুদ্র সৈকতের অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যর্থতার অভিযোগে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মামুনুর রশিদকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। 

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি জেবিএম হাসান এবং রাজিক-আল-জলিলের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ১৯ অক্টোবর সশরীরে হাজির হয়ে আদালতের আদেশ অমান্যের বিষয়ে মামুনুর রশিদকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) ফোরকান আহমেদসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হয়েছে। রুলে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন- কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ তানভীর হাসান ও পুলিশ সুপার (এসপি) হাসানুজ্জামান।

আদালত অবমাননার আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন তুষার কান্তি রায়।

মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ৭ জুন হাইকোর্ট সমুদ্র সৈকতের অবৈধ স্থাপনা তৈরি বন্ধ ও স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে আদেশ দেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমুদ্র সৈকত এলাকার অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

জনস্বার্থ বিবেচনা করে হাইকোর্ট ওই রায় দিলেও এতদিনেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। গত ৭ ফেব্রুয়ারি আদালত অবমাননার অভিযোগে এইচআরপিবি প্রেসিডেন্ট আইনজীবী মনজিল মোরশেদ আদালত অবমাননার নোটিশ দেন। নোটিশের পরও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় হাইকোর্টে অবমাননার আবেদন করা হয়।

About

Popular Links