Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঘরবাড়ি নেই লতিফ সিদ্দিকীর, স্ত্রী কোটিপতি!

লতিফ সিদ্দকীর স্ত্রীর নামে ৫ দশমিক ২৮ একর জমি রয়েছে, যার মূল্য ২ কোটি টাকা

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:২৯ পিএম

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী এবার টাঙ্গইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন।

মনোনয়নপত্রের সাথে জমা দেয়া হলফনামা থেকে জানা যায়, তার নামে কোন বাড়ি, এপার্টমেন্ট, দালান, দোকান বা বাণিজ্যিক কোন ভবন নেই। ব্যবসা থেকেও তার বাৎসরিক কোন আয় নেই। তবে শিক্ষকতা ও কলাম লেখার পেশা থেকে লতিফ সিদ্দিকীর বাৎসরিক আয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য (ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সুদ) ১৪ হাজার ৬৩৯ টাকা। লতিফ সিদ্দিকীর নিজ নামে নগদ টাকা রয়েছে ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৭ টাকা।

তার স্ত্রী এবং ছেলের নামে কোন নগদ টাকা নেই। ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ৯ লাখ ২৫ হাজার ৮শ’ ৪৯ টাকা। এমপি কোটা থেকে তার একটি টয়োটা জীপ গাড়ির মূল্য ৬৫ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। ১৯৭৩ সালে বৈবাহিক সূত্রে প্রাপ্ত এই স্বর্ণালংকারের মূল্য দেখানো হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে ফ্রিজ এবং টিভি রয়েছে। যার মূল্য ৭৫ হাজার টাকা। আসবাবপত্রের মধ্যে রয়েছে, সোফা একটি, খাট ২টি, ড্রেসিং ও ডাইনিং টেবিল রয়েছে। যার মূল্য ৫০ হাজার টাকা।

লতিফ সিদ্দিকীর নিজ নামে ৩৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ১৯৯০ সালে ক্রয়কৃত জমিটির মূল্য দেখানো হয়েছে ৩২ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে ৫ দশমিক ২৮ একর জমি রয়েছে, যার মূল্য ২ কোটি টাকা। ১ একর ৮৭ শতাংশ জমি রয়েছে, যার মূল্য ৬৫ লাখ টাকা। লতিফ সিদ্দিকীর কোন দালান, আবাসিক ও বাণিজ্যিক কোন ভবন না থাকলেও তার স্ত্রীর ১টি রয়েছে এবং অপর একটি নির্মাণাধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী কালিহাতী থেকে ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, ১৯৭৩, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন।

ওই বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হজ্ব ও তাবলিগ জামাত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিভিন্ন সংগঠন লতিফ সিদ্দিকীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ২২টি মামলা হয়।

পরে তিনি দেশে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এক পর্যায়ে তিনি মন্ত্রিত্ব হারান এবং দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

About

Popular Links