Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রামেকে সংঘর্ষ: হাসপাতাল ও রাবির পাল্টাপাল্টি মামলা নথিভুক্ত

রামেক হাসপাতালে শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের অবহেলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে শনিবার অভিযোগ দায়ের করেন রাবির রেজিস্ট্রার আবদুস সালাম

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২২, ০৫:২১ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী এস জে এম শাহরিয়ারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মাইদুল ইসলাম।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রাবি প্রশাসনের করা পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

রাজপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মাইদুল ইসলাম বলেন, “শনিবার রাতে অভিযোগগুলো রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।”

প্রসঙ্গত, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের অবহেলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে শনিবার বিকেলে একটি অভিযোগ দায়ের করেন রাবির রেজিস্ট্রার আবদুস সালাম। অভিযোগে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক, নার্স ও আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে রাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ১৯ অক্টোবর আনুমানিক সাড়ে ৮টায় গুরুতর আহত অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ারকে রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গুরুতর আহত শাহরিয়ারকে চিকিৎসার জন্য আইসিইউতে না নিয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠান। সেখানে চিকিৎসক ও নার্স দেরিতে আসেন এবং নানা অজুহাতে চিকিৎসা দিতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। ফলে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিলম্ব ও বিনা চিকিৎসায় শাহরিয়ার মৃত্যুবরণ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, শাহরিয়ারের মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রামেক হাসপাতালে পৌঁছান এবং চিকিৎসকের অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যু ঘটায় স্বাভাবিকভাবেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। সেই সময় ৮ নম্বর ওয়ার্ড ও তার আশেপাশের ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক, ইন্টার্ন, নার্স, আনসার ও তাদের উচ্ছৃঙ্খল সহযোগীরা ন্যাক্কারজনকভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শোকার্ত শিক্ষার্থীদের অবরুদ্ধ করে, অকথ্য গালিগালাজ করে এবং আকস্মিকভাবে হামলা চালায়।

হামলায় তারা লাঠি এবং শল্যচিকিৎসায় ব্যবহৃত ধারালো যন্ত্র দিয়ে আনুমানিক শতাধিক শিক্ষার্থীকে গুরুতরভাবে আহত করে। আহত শিক্ষার্থীদের অনেককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্র, বারিন্দ মেডিকেলসহ রাজশাহীর অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, ২০ অক্টোবর একই থানায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারধর ও হাসপাতালে ভাঙচুরের অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ করে রামেক কর্তৃপক্ষ। সেখানে অজ্ঞাতনামা ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়।

About

Popular Links