Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাত নেমেছে, উত্তরা থেকে টঙ্গীর যানজট শেষ হয়নি

এদিন সকাল থেকেই এ সড়কে ভয়াবহ যানজট দেখা দেয়

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২২, ০৭:০৭ পিএম

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উত্তরা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে সৃষ্ট খানাখন্দ ও গর্তে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। ফলে এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রী, চালক ও সাধারণ মানুষরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। 

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে নামা বৃষ্টির কারণে মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকেই এ অবস্থা দেখা দেয়।

এদিন সকাল থেকে এ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে উভয়মুখী লেনে থেমে থেমে যানজট দেখা দেয়। যানজট সামলাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের একাধিক দলের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের আওতধীন এলাকায়।

সরেজমিনে দেখা যায়,ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর সেনাকল্যাণ ভবন, মিলগেট, স্টেশনরোডে সৃষ্ট তীব্র যানজট উত্তরা পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়েছে। অনেকেই গাড়িতে বসে থাকতে থাকতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। নেমে হেঁটে বা অন্য কোনো মাধ্যমে যাওয়ার উপায় নেই বলে বাধ্য হয়েই গাড়িতে বসে থাকতে হচ্ছে বলে জানান তারা।  

টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ শামসুর রায়হান বলেন, “গতকালের টানা বৃষ্টির কারণে গাজীপুরের বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া, মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় সৃষ্টি হওয়া গর্তে পানি জমে ছিল। ফলে এ যানজট। অনেকেই আজ অফিসে যেতে পারেননি।”

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়াগামী আলম এশিয়া পরিবহনের যাত্রী শামসুল হক বলেন, “হঠাৎ বৃষ্টির কারণে টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়। খানাখন্দে বৃাষ্টর পানি জমে যাওয়ায় সকাল থেকেই তীব্র যানজট দেখা দেয়। এতে সাধারণ মানুষ ও চাকরিজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যানবাহনগুলো অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। বিরক্ত হয়ে অনেকে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বোর্ড বাজার এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের ছোট-বড় খানাখন্দ ও গর্তে পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্নতার সৃষ্টি হয়। এ কারণে মহাসড়কে নিয়মিত চলাচলকারী চালক, যাত্রী ও পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। গর্তে পানি জমে থাকায় কোনো গাড়িই সামনে এগোতে পারছে না। এতে যানবাহনের গতি কমে গিয়ে উভয়মুখী সড়কে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে।”

ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “খানাখন্দ ও গর্তে গাড়ি আটকে যাওয়ায় সকাল থেকেই সড়কের দুই পাশেই চালক ও যাত্রীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে টঙ্গীর মিলগেট এলাকার অবস্থা বেশি খারাপ। গর্ত আর বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় এখানকার সড়ক ছোট হয়ে গেছে। সে কারণে এক লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এ কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে গতি কম হওয়ায় যানজট দেখা দিয়েছে।”

জিএমপি উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) আলমগীর হোসেন বলেন, “হঠাৎ বৃষ্টির কারণে টঙ্গীর মিলগেট থেকে উভয়মুখী সড়কে ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দে পানি জমে গেছে। সে কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। যানজট নিরসনে ট্রাফিক বিভাগ কাজ করছে। আশা করছি এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”

About

Popular Links