Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইউএনওর স্বামীকে ‘মারধর’, ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

শনিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ব্যাডমিন্টন খেলা চলছিল। তখন ইউএনওর গাড়িচালক সেখানে গিয়ে বলেন, ‘স্যাররা খেলবেন আপনারা চলে যান।’ তখন তারা ফেরদৌসের ওপর চড়াও হন। এ সময় চিৎকার শুনে ইউএনওর স্বামী আল-আমিন শিকদার সেখানে যান

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২২, ০৯:২০ পিএম

সোনাতলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) স্বামী আল-আমিন শিকদারকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে ও সার ব্যবসায়ী শামীম হোসেন (৪০)। এ অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ব্যাডমিন্টন খেলা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জেরে এ মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

মারধরে ইউএনওর স্বামীর কাঁধের ভেঙে যাওয়া হাড়ে লাগানো স্ক্রু ছুটে গেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈকত হাসান।

তিনি বলেন, “মামলার পর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৩০ অক্টোবর দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়।”

এজাহার, পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ব্যাডমিন্টন খেলা চলছিল। সেখানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম বুলুর ছেলে শামীম হোসেন ও অন্যরা খেলছিলেন।

আরও পড়ুন- জেলা পরিষদ নির্বাচন: ইউএনওকে স্টুপিড বললেন মেয়র সাদিক

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ইউএনওর গাড়িচালক ফেরদৌস হোসেন সেখানে গিয়ে বলেন, “স্যাররা খেলবেন আপনারা চলে যান।” তখন শামীম হোসেন ও তার লোকজন চালক ফেরদৌসের ওপর চড়াও হন। এ সময় চিৎকার শুনে ইউএনওর স্বামী আল-আমিন শিকদার সেখানে যান। তিনি ঝগড়া করতে নিষেধ করলে শামীম হোসেন তাকে লাথি দেন ও মারপিট করেন। এতে আল-আমিন শিকদারের কাঁধের হাড়ে স্ক্রু লাগানো অংশে (আগে ভেঙে যাওয়া) গুরুতর আঘাত পান। এ ঘটনায় শনিবার রাতে চালক ফেরদৌস হোসেন সোনাতলা থানায় শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাকে (শামীম) গ্রেপ্তার করে।

ইউএনও সাঈদা পারভীন বলেন, “২০২০ সালে এক দুর্ঘটনায় স্বামী আল-আমিন শিকদারের ঘাড়ের হাড় ভেঙে যায়। সেখানে স্ক্রু লাগানো রয়েছে। তিনি বর্তমানে আমার সঙ্গেই সোনাতলায় থাকেন। আসামি শামীম হোসেনের আঘাতে ওই স্ক্রু খুলে গিয়ে আল-আমিন গুরুতর আহত হন। তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে যাব।”

তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন আসামি শামীমের বাবা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম বুলু। তিনি দাবি করেন, তার ছেলে ইউএনওর স্বামীকে মারধর করেননি। উত্তেজিত অবস্থায় ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।

About

Popular Links