Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলা: আদালতের কাঠগড়ায় সাক্ষীকে হুমকির অভিযোগ

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় মঙ্গলবার দুই সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২২, ০৪:০৬ পিএম

কক্সবাজারে শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতা মুহিব্বুল্লাহ হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাক্ষীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক আসামির বিরুদ্ধে। এ সময় আদালতের বিচারক ওই আসামিকে সতর্ক করেন।

মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় সাক্ষী নুরে আলমকে হত্যার হুমকি দেন খায়রুল আমিন নামের এক আসামি। 

ঢাকা ট্রিবিউনকে হুমকির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।তবে তিনি ওই আসামির নাম উল্লেখ করেননি।

তিনি বলেন, “মঙ্গলবার আদালতে দুইজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। সাক্ষী নুরে আলম যখন সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন এক আসামি তাকে গলাকেটে হত্যা করার হুমকি দেন। আইনি জটিলতার কারণে আসামির নাম প্রকাশ করতে পারছি না। তবে বিজ্ঞ বিচারক বিষয়টি আমলে নিয়ে আসামি ও তার আইনজীবিকে সতর্ক করেছেন “

ওই আসামির নাম খায়রুল আমিন বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, “সাক্ষ্যগ্রহণের সময়ে সাক্ষী নূরে আলম বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসামির বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগ করেন। এ সময় বিচারক আসামি খায়রুল আলমের নিকট জানতে চাইলে আসামি হত্যার হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করেন।”

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় গত দুদিনে তিনজন সাক্ষী আদালতে স্বাক্ষ্য দিলেন। 

সাক্ষ্যগ্রহণের সময় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৪ আসামিকে আদালতে আনা হয়। 

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়ার কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ১-ইস্ট নম্বর ক্যাম্পের ডি ব্লকে নিজ সংগঠনের কার্যালয়ে মুখোশধারী বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন। পরদিন তার ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সাড়ে আট মাস তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী সালাহ উদ্দীন ২৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে সাত জনের নাম-ঠিকানা সঠিক পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য আবেদন জানান তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্রে সাক্ষীর তালিকায় ৩৮ জনের নাম ও ঠিকানা রয়েছে। আদালত শুনানি শেষে ১১ সেপ্টেম্বর ২৯ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

বর্তমানে মুহিবুল্লাহর পরিবারের ২৫ সদস্য জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার সহায়তায় কানাডায় বসবাস করছেন। প্রথম দফায় ৩১ মার্চ স্ত্রীসহ ১১ জন এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ সেপ্টেম্বর ১৪ জন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কানাডা পাড়ি জমান।

About

Popular Links