Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শিক্ষামন্ত্রী: অভিভাবকদের ভিড়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে

প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২২, ০১:৩৫ পিএম

সারাদেশে আজ রবিবার (৬ নভেম্বর)একযোগে ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

এবার মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ জন। মোট ২ হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৮১টি শিক্ষা  প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিনেই কেন্দ্রেগুলোর সামনে অভিভাবকদের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এই ভিড় এতোটাই বেশি যে  পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ভিড় প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্র ঘুরে দেখলাম বাইরে অভিভাবকদের অনেক ভিড়। যারা আগে এসেছেন তারা সন্তানকে ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছেন। তাদের এতো ভিড় যে, বাকি পরীক্ষার্থীদের ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে। অভিভাবকদের আমি অনুরোধ জানাবো, সন্তানকে কেন্দ্রে ঢুকিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র ত্যাগ করেন। তাহলে অন্য কোনো পরীক্ষার্থীর কেন্দ্রে ঢুকতে সমস্যা হবে না।”

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও এ সময় উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অভিনব কায়দায় প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়েছিল। এই পরীক্ষায় যেসব ছোটখাটো ব্যত্যয় ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আশা করি এইচএসসি পরীক্ষায়ও তা কার্যকর থাকবে। তারপরও কেউ যদি কোথাও অপচেষ্টা করে তাহলে আমরা সবাই মিলে তা প্রতিরোধ করবো। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কোচিং সেন্টার বন্ধ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কোচিং বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে। আর একই কোচিং সেন্টারে অনেক ধরনের কোচিং চলে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষে একা বন্ধ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় প্রশাসনেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।”

আগামী বছরের পরীক্ষা এগিয়ে আনা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, “এবার আমরা চেষ্টা করেছিলাম জুলাই-আগস্টে পরীক্ষা নিয়ে আসতে। কিন্তু দেশের একটি অঞ্চলে বন্যার কারণে পরীক্ষা নিতে দেরি হয়ে গেল। এর পরের বছর আরও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবো। আর আগামীতে যদি কোনো অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় তাহলে সেই বোর্ডের পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ রেখে অন্য বোর্ডের পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করবো। যত দ্রুত সম্ভব ওই বোর্ডের পরীক্ষাও নেবো।”

About

Popular Links