Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এক যুগ পর ফিরছে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা

সর্বশেষ প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হয় ২০১৯ সালে। ওই ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৪১ পিএম

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা এক যুগ পর আবারও শুরু হচ্ছে। এ মাসের শেষ সপ্তাহে প্রতিটি উপজেলা সদরে পরীক্ষা হবে। এতে অংশ নিতে পারবে প্রতিটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির মোট শিক্ষার্থীর ১০%।

পঞ্চম শ্রেণি পেরিয়ে মাধ্যমিকে পা রাখা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারা কারা সরকারি বৃত্তি পাবে, তা নির্ধারণে এক সময় আলাদাভাবে এই পরীক্ষা নেওয়া হত, যা বৃত্তি পরীক্ষা নামেই পরিচিত।

২০০৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) শুরু হওয়ার পর আলাদা বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। প্রাথমিক সমাপনীর ফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া শুরু হয়।

আরও পড়ুন- এক শিফটে চলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

মহামারির কারণে গেল দুই বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হয়নি। পরে জানানো হয়, নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে বলে সমাপনী পরীক্ষা আর নেওয়া হবে না। এ পরিস্থিতিতে প্রাথমিকে মেধা বৃত্তির জন্য যোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে আবারও আলাদা পরীক্ষার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত জানান, দেশের প্রতিটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির মোট শিক্ষার্থীর ১০% প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

তিনি বলেন, “আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা না হলেও কিন্তু ৮ ডিসেম্বর থেকে বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হবে। শ্রেণিকক্ষ ও বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষার ভিত্তিতে মেধা যাচাইয়ে এগিয়ে থাকা ১০% শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।”

আরও পড়ুন- প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়স কেন বাধা হবে?

তিনি আরও বলেন, “মূলত প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে, তাদের মেধার মূল্যায়নের জন্যই বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।”

২৮ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে মেধাবৃত্তি দেওয়ার বিকল্প মেধা যাচাই পদ্ধতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়। সভায় বর্তমান প্রচলিত নিয়ম ও পদ্ধতিতে প্রাথমিক বৃত্তি দেওয়া অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। মঙ্গলবারের মধ্যে সেসব তথ্য ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তাদের।

২০২৩ সাল থেকে ধাপে ধাপে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে এই শিক্ষাক্রম শুরু হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং অষ্টম শ্রেণিতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার কোনোটিই নেই।

আরও পড়ুন- প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য দশম গ্রেড কেন নয়, জানতে চান হাইকোর্ট

সর্বশেষ প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হয় ২০১৯ সালে। ওই ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা করে পায়। প্রাথমিক সমাপনীর বৃত্তিপ্রাপ্তরা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এই বৃত্তি পায়।

About

Popular Links