Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এখনও উদ্ধার হয়নি ১১ লাখ লিটার জ্বালানি তেল নিয়ে ডুবে যাওয়া জাহাজটি

১১ লাখ ৫০ হাজার জ্বালানি তেল নিয়ে ডুবে যাওয়া জাহাজটির ওজন প্রায় ৪৪০টন। উদ্ধারে যাওয়া জাহাজটির ওজন প্রায় ৩৪০ টন

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২৫ পিএম

ভোলার মেঘনা নদীতে ১১ লাখ লিটার পেট্রোল ও অকটেন নিয়ে ডুবে যাওয়া জাহাজ “সাগর নন্দিনী-২”কে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জাহাজটির ওজন বেশি হওয়ায় উদ্ধারকারী জাহাজ “সাগর বধূ-৩” টেনে তুলতে পারছে না।

সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) জাহাজটি উদ্ধারে “সাগর বধূ-৪” নামে আরেকটি উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বিকাল ৫টার মধ্যে জাহাজটির ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন সাগর নন্দিনী জাহাজের প্রতিনিধি মো. মেহেদী হাসান।

তিনি জানান, ১১ লাখ ৫০ হাজার জ্বালানি তেল নিয়ে ডুবে যাওয়া জাহাজটির ওজন প্রায় ৪৪০টন। সোমবার ভোরে উদ্ধারে যাওয়া সাগর বধূ-৩ জাহাজটির ওজন প্রায় ৩৪০ টন। কোম্পানি আরেকটি উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে পাঠাচ্ছে। সেটি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে আরেকটু সময় লাগবে। এরপর জাহাজ উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


জাহাজটির নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে কোস্টগার্ড/ ঢাকা ট্রিবিউন


এদিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শফিউল কিঞ্জল ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, জাহাজটির নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড নিয়োজিত রয়েছে। এ ছাড়াও নদীতে ভেসে যাওয়া তেল যাতে দূষণ ছড়াতে না পারে সেজন্য কোস্টগার্ডের অত্যাধুনিক একটি নৌকা লেমর মেশিন দিয়ে পানি থেকে তেল পৃথক করার কাজ করছে। জাহাজের ভেতরের ট্যাংকে যে তেল রয়েছে তা পদ্মা অয়েল কোম্পানি সরিয়ে নেবে।

বিআইডব্লিউটির যুগ্ম পরিচালক আবদুস সালাম জানান, তেল ছড়িয়ে পড়লে পরিবেশ বিপর্যয় হবে। বিষয়টি মাথায় রেখে কোস্টগার্ড কাজ করছে।

উল্লেখ, রবিবার ভোরে ভোলা সদর উপজেলার তুলাতুলি এলাকার মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে তেলবাহী জাহাজ “সাগর নন্দিনীর” সঙ্গে নোঙর করা আরেকটি জাহাজের সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে জাহাজটির পেছনের তলা ফেটে তা পানিতে নিমজ্জিত হয়। জাহাজে থাকা মাস্টারসহ ১৩ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। মেঘনার পানিতে ভেসে যায় ১০ লাখ লিটার তেল। যার বাজারমূল্য প্রায় ৯ কোটি টাকার বেশি।

About

Popular Links