Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দিলে আন্দোলন

সংবাদ সম্মেলনে জাহাজ চলাচলের যুক্তি দেখিয়ে বলা হয়, ‘চলতি পর্যটন মৌসুমের শুরু থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে পর্যটন পরিবহন জাহাজ বন্ধ আছে। কিন্তু মিয়ানমারের মালামাল পরিবহন অব্যাহত আছে’

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৫:৪৩ পিএম

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দিলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারসহ ১০টি সংগঠন।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার শহরের লাবণি পয়েন্টে একটি তারকামানের হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, নাব্য সংকটের অজুহাত দেখিয়ে চলতি পর্যটন মৌসুমের শুরু থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এ কারণে কক্সবাজার তথা সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ সেবা দেওয়া পাঁচ লাখ মানুষের জীবিকা এখন হুমকির মুখে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার সভাপতি আনোয়ার কামাল, সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিবুর রহমান টিটু, কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুখিম খান, কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ, সেন্টমার্টিন হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রহিম, জেলা হোটেল রেস্তোরা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম ডালিম, এসএম আবু নোমানসহ আরও অনেকেই।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “বেশ কয়েক বছর ধরে সেন্টমার্টিন নিয়ে নানা প্রকারের অপপ্রচার করা হচ্ছে। এক শ্রেণির সুবিধাভোগী চক্র পরিবেশের কথা বলে পর্যটন শিল্পে বাধা সৃষ্টি করছে। অথচ ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এক লাখ ৬০ হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন। অর্থাৎ ১৫১ দিন পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার ৬৩ জন মানুষ সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন।”

সংবাদ সম্মেলনে জাহাজ চলাচলের যুক্তি দেখিয়ে বলা হয়, “চলতি পর্যটন মৌসুমের শুরু থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে পর্যটন পরিবহন জাহাজ বন্ধ। কিন্তু মিয়ানমারের মালামাল পরিবহন অব্যাহত। যদি নাব্য সংকট থাকতো তাহলে মিয়ানমারের জাহাজ মালামাল নিয়ে কীভাবে আসে। বর্তমানে দুটি জাহাজ টেকনাফের দমদমিয়া ঘাটে অবস্থান করছে। যা গত ৩/৪ দিন আগে সেন্টমার্টিন থেকে এই রুটেই ভাটার মধ্যেই দমদমিয়া জেটিতে এসেছে। নাব্য সংকট থাকলে তা হতো না।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, “টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে জাহাজ চলাচল না করার ফলে ট্যুর অপারেটরদের পাশাপাশি গাইড, হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউজ, রেস্টহাউজ, ফ্ল্যাট ও কটেজ ব্যবসায়ী-কর্মচারী, বাস-মিনিবাস ব্যবসায়ী-কর্মচারী, রেস্টুরেন্ট ও ফুড প্রসেসিং ব্যবসায়ী-কর্মচারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ভ্যান- রিক্সা-টমটম চালক এবং বিভিন্ন প্রকারের কুটির শিল্প ব্যবসায়ীসহ কক্সবাজার তথা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ সেবা প্রদান করা পাঁচ লাখ মানুষের জীবিকা এখন হুমকির সম্মুখীন। আমরা আমাদের জীবিকা ঠিক রাখার স্বার্থে এই নৌ-রুটে জাহাজ চলাচল চালু করার দাবি জানাই।”

About

Popular Links