Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের বিচার শুরু

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রফিকুল ইসলাম  ইউটিউব এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:২৭ পিএম

গাজীপুরের বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা আলোচিত “শিশুবক্তা” রফিকুল ইসলামসহ দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর ফলে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ১ মার্চ সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অপর আসামি হলেন হাফেজ মাসুম বিল্লাহ। এদিন অভিযোগ গঠনের সময় দুই আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচারের প্রার্থনা করেন।

রফিকুল ইসলামের আইনজীবী মো. ফজলে রাব্বী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন। 

আইনজীবী মো. ফজলে রাব্বী বলেন, “রফিকুলের বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে তিনটি মামলায় জামিনে রয়েছেন তিনি।”

২০২১ সালের ৭ এপ্রিল ভোরে রফিকুল ইসলামকে তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে আটক করে র‌্যাব। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

২০২১ সালের ১১ এপ্রিল গাজীপুরের বাসন থানায় মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. সাখাওয়াত হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মঙ্গলবার এ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রফিকুল ইসলাম  ইউটিউব এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন। দেশের সাধারণ মানুষ এসব বক্তব্যের কারণে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বিভ্রান্ত হয়ে তারা দেশের সম্পত্তির ক্ষতি করছেন।

অন্যদিকে,  গাজীপুর মহানগরীর বোর্ডবাজারের কলমেশ্বর এলাকায় একটি কারখানা চত্ত্বরে ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি এক ওয়াজ মাহফিলে সরকারকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দিয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম। ওই গাছা থানায় র‍্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সেই মামলাটিও বিচারাধীন রয়েছে।

এছাড়া রাজধানীর মতিঝিল থানায় রফিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রয়েছে। মামলায় অভিযোগ, তিনি ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা শেয়ার হওয়ায় তাদের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।

রফিকুল ইসলামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামে। ইসলামি দলগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার। রফিকুলের বয়স ২৮ বছর হলেও আকার-আকৃতির জন্য তাকে “শিশুবক্তা” বলে ডাকেন ভক্তরা।

About

Popular Links