Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘দুবাইয়ে পাচারের আগে’ চট্টগ্রাম থেকে মাদ্রাসাছাত্রী উদ্ধার

র‌্যাব জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর বড় বোনের সঙ্গে দুবাই প্রবাসী মো. শহিদুল করিমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর শহিদুল তার স্ত্রীকে নিয়ে দুবাই চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি স্ত্রীকে বিক্রি করে দেন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮:১৬ পিএম

রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে অপহৃত এক মাদ্রাসাছাত্রীকে চট্টগ্রামে উদ্ধার করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। র‍্যাব জানিয়েছে, কিশোরীকে দুবাইয়ে পাচার করা হচ্ছিল।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া নলুয়া ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- আবু সুফিয়ান রানা (৩১), তার স্ত্রী শারমিন কাউসার (২২) ও মো. নুরুজ্জামান (৫৫)।

র‌্যাব-৭ এর পতেঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন, “গ্রেপ্তার তিনজন মানবপাচারকারী দলের সদস্য।”

র‍্যাব জানিয়েছে, আবু সুফিয়ান রানা এবং তার স্ত্রী শারমিন কাউসারকে হালিশহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নুরুজ্জামানকে হাটহাজারী উপজেলার চিপাতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নুরুজ্জামানের তথ্যে কিশোরীকে নলুয়া থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে ২৪ জানুয়ারি ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে রাজধানীর শাহ আলী থানায় শহিদুলসহ তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন। সে মামলার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে র‌্যাব।

র‌্যাবের ভাষ্য, ভুক্তভোগীর বড় বোনের সঙ্গে বিয়ে হয় দুবাই প্রবাসী মো. শহিদুল করিমের। বিয়ের পর শহিদুল স্ত্রীকে নিয়ে দুবাই চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি তার স্ত্রীকে বিক্রি করে দেন। এরপর তিনি শ্যালিকাকে দুবাই পাচারের পরিকল্পনা করেন।

মাহফুজুর রহমান বলেন, “শহীদুল করিম নামে এক ব্যক্তি এই কিশোরীর বড় বোনকে বিয়ে করে দুবাই নিয়ে যায়। সেখানে তাকে একটি নাইট ক্লাবে বিক্রি করে দেয় বলে পরিবারের অভিযোগ।”

৩ জানুয়ারি ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রী মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়। পরে বাসায় ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, শহীদুল বড় বোনের মতো ছোট বোনকেও দুবাই পাচারের জন্য অপহরণ করেছেন। তখন তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়।

মাহফুজ জানান, ভুক্তভোগী মাদ্রাসাছাত্রীকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আনার পর ১৬ দিন সুফিয়ান-শারমিন দম্পতির কাছে রাখা হয়। পরে নুরুজ্জামান তাকে সাতকানিয়ায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে দুবাই নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

About

Popular Links