Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

১,২৪২ বছর পর নওগাঁয় বিশ্ববিদ্যালয়

সহস্র বছরের প্রতীক্ষা ঘুচল নওগাঁবাসীর

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০১:৩৩ পিএম

নওগাঁর সুপ্রাচীন সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠার পর চলে গেছে হাজার বছর। কিন্তু জ্ঞান আহরণ থেমে থাকেনি। সভ্যতার ধাপে ধাপে এখন চলছে ডিজিটাল যুগ। গবেষণা, জ্ঞান, বিদ্যা অর্জনের ধরনও বদলে গেছে। মানুষের হাতের মুঠোয় পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তের খবর।

পাহাড়পুরের সুপ্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় সোমপুর বিহার ধ্বংস হয়েছে কালের বিবর্তনে। এরপর হাজার বছরের প্রতীক্ষা। সেই প্রতীক্ষা অবশেষে পূরণ হলো ২০২৩-এ এসে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, পাল বংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। সুপ্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছিল সুখ্যাতি। অধুনা যুগের আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বহু জ্ঞানী-গুণীর পদচারণায় মুখর ছিল এর প্রাঙ্গণ। বিদেশ থেকেও জ্ঞানপিপাসুরাও এখানে আসতেন। 

সেই সোনালী অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলে বহুকাল ধরে নওগাঁয় বিশ্ববিদ্যালয় ছিল কেবল ইতিহাসের পাতায়। জেলাবাসীর বহুদিনের চাওয়া ছিল একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হয় ‘‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ'' বিল। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উৎসবের আমেজ শুরু হয় জেলার সর্বত্র। খুশির ঝিলিক ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।

আর ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি উপজেলায়।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিলটি পাস হওয়ায় জেলার ২৭ লাখ মানুষের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। 

তিনি বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নওগাঁ কিংবা উত্তরাঞ্চল নয়, পুরো দেশের জন্যই শিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচন করল।”

নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার বলেন, “এটি নওগাঁবাসীর জন্য আশীর্বাদ।” এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে শিক্ষা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল দেশ। আমার পিতা প্রয়াত নেতা আব্দুল জলিলেরও স্বপ্ন ছিল এমন একটি বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠার।” 

দীর্ঘদিন পরে হলেও এমন একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

About

Popular Links