Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই’

একুশে ফেব্রুয়ারিতে শ্রদ্ধা জানানোর সময় ব্যাগ জাতীয় কোনো জিনিস নিয়ে শহিদ মিনার এলাকায় যাওয়া যাবে না

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:৫৭ পিএম

ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জঙ্গি হামলার কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই।

রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে ব্রিফিংয়ে ডিএমপি কমিশনার এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আদালত থেকে দুই জঙ্গিকে ছিনতাইয়ে যুক্ত ১২ জনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তবে ছিনতাই হওয়া দুই জঙ্গি এখনো পলাতক। একুশে ফেব্রুয়ারিতে জঙ্গি হামলার কোনো হুমকি নেই।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ১২টার পর পরই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রথমে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করবেন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুই ভাগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। প্রথম ভাগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও বিদেশি কূটনৈতিকরা ফুল দেবেন। তারা বিদায় নেওয়ার পর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এই দুই ভাগে শহীদ মিনারের নিরাপত্তাসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পলাশী প্রান্তর থেকে দোয়েল চত্বর ও বইমেলার পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। শহীদ মিনারের প্রত্যেকটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানো থাকবে। যারাই আসবেন আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। সঙ্গে ব্যাগ জাতীয় কোনো জিনিস নিয়ে আসবেন না।

খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, অন্যবারের মতো এবারও একইভাবে প্রবেশ করানো হবে। ভিভিআইপিরা দোয়েল চত্বর হয়ে প্রবেশ করবেন। মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা জিমনেশিয়াম মাঠে গাড়ি রেখে বাকি পথ হেঁটে আসবেন। আর সাধারণরা পলাশী মোড় হয়ে জগন্নাথ হল হয়ে প্রবেশ করবেন ও দোয়েল চত্বর-চানখাঁরপুল হয়ে বেরিয়ে যাবেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা, এরপর থেকে সন্ধ্যা ৬টা ও সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ধাপে মোট তিন ধাপে এ এলাকায় পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। প্রবেশপথ ও বেরিয়ে যাওয়ার পথ ছাড়া সবগুলো সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

About

Popular Links