Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মানবতাবিরোধী অপরাধে ময়মনসিংহের ৫ আসামির যাবজ্জীবন

২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর এই মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষামাণ রাখা হয়

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:৪৭ পিএম

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন– মো. হরমুজ আলী, মো. আব্দুস সাত্তার, খন্দকার গোলাম রব্বানী, খন্দকার গোলাম ছাব্বির আহমাদ ও মো. ফখরুজ্জামান। তাদের মধ্যে ছাব্বির ও ফখরুজ্জামান পলাতক। বাকি তিন আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৭৭ পৃষ্ঠার এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য বিচারপতি হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল, সুলতান মাহমুদ সিমন, সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নি, রেজিয়া সুলতানা চমন ও ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর এই মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষামাণ রাখা হয়। পরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের এ মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আজ ২০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

মু্ক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গুম ও অপহরণের মত মানবতাবিরোধী অপরাধের জড়ি থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে বলা হয়, রায়ের আগে কারাগারে কাটানোর সময় সাজা থেকে বাদ যাবে। 

২০১৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ ৩ নম্বর আমলি আদালতে মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম (৬৮) বাদী হয়ে এ মামলা করেন। পরে ৩ নম্বর আমলি আদালতে বিচারক মিটফুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন শান্তি কমিটির ময়মনসিংহ শহর শাখার আহ্বায়ক ছিলেন এম এ হান্নান। তার নির্দেশে রাজাকার কমান্ডার আনিসুর রহমান মানিক ও সামসুল হক বাচ্চুসহ পাক হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসররা ত্রিশালের কালির বাজার ও কানিহারী এলাকায় শতাধিক গণহত্যা, কয়েক কোটি টাকার সম্পদ লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ করে।

২০১৬ সালের ১১ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় জমা দেয়। আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, হত্যা ও মরদেহ গুম- এই সাত ধরনের অপরাধের ছয়টি অভিযোগ আনা হয়।

About

Popular Links