Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইলিশ বাঁচাতে ছয় জেলার নদীতে জাল ফেলা নিষেধ

এসব এলাকায় কোনো ধরনের মাছ শিকার করা যাবে না 

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৮:৩৩ পিএম

দেশে ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ১ মার্চ থেকে ছয় জেলার পাঁচটি অভয়ারণ্যে মাছ ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর এবং শরীয়তপুর জেলার নদী রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচ নদীর ৩৭২ কিলোমিটার এলাকায় কোনো ধরনের মাছ শিকার করা যাবে না।

বরিশাল বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিভাগীয় মৎস্য অফিসের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান তালুকদার ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, চাঁদপুর জেলার ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর নিম্ন অববাহিকার ১০০ কিলোমিটার, ভোলা জেলার মদনপুর/চর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শাহবাজপুর শাখা নদীর ৯০ কিলোমিটার, ভোলার ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালী জেলার চর রুস্তুম পর্যন্ত তেতুলিয়া নদীর প্রায় ১০০ কিলোমিটার, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা ও চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার মধ্যে অবস্থিত পদ্মা নদীর ২০ কিলোমিটার এবং বরিশাল সদর উপজেলা, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জের আড়িয়াল খাঁ, কালাবদর, গজারিয়া ও মেঘনা নদীর প্রায় ৮২ কিলোমিটার এলাকা অভয়াশ্রমের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

এছাড়া শিকার নিষিদ্ধ এলাকার মধ্যে বরিশাল জেলার আড়িয়াল খাঁ নদীর কিছু অংশ, গজারিয়া, কালাবদর, মেঘনা ও পটুয়াখালীর তেতুলিয়া নদী রয়েছে।

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সফল করতে বরিশাল বিভাগের দুই লাখ ৩০ হাজার ১৮৭ জন নিবন্ধিত জেলেকে ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত প্রতি মাসে ৪০ কেজি হারে চাল দেওয়া হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় এ চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

এছাড়া আইন লঙ্ঘনকারীদের সর্বনিম্ন এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে বলে মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

বরিশাল সদর উপজেলার জেলে শাহ আলম মাঝি ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় তাদের কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। তারা নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবার প্রতি মাসে ১০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়ার আহ্বান জানান।

About

Popular Links