Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত, খুলনা যাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি দল

চিকিৎসকদের টানা কর্মবিরতিতে সেখানকার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি ও দুর্ভোগের মাত্রা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৩, ০২:০৬ পিএম

খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলার অভিযোগে তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি পালন করছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের টানা কর্মবিরতিতে সেখানকার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি ও দুর্ভোগের মাত্রা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ব্যক্তিগত চেম্বারেও রোগী দেখা বন্ধ রেখেছেন। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি প্রতিনিধি দল খুলনা যাচ্ছেন।

শুক্রবার (৩ মার্চ) দুপুর ২টায় খুলনার বিএমএ ভবনে চিকিৎসক নেতাদের সঙ্গে প্রতিনিধি দলটি আলোচনায় বসবেন।

বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম।

তিনি বলেন, “হামলাকারীকে গ্রেপ্তার ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার খুলনায় আসছেন। দুপুর ২টায় প্রতিনিধি দলটি চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। ওই আলোচনায় বিএমএ, ক্লিনিক মালিকসহ চিকিৎসক সংশ্লিষ্ট সব সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।”

জানা গেছে, চিকিৎসকদের টানা কর্মবিরতির কারণে সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরাও সেবা পাচ্ছেন না।

খুলনা বিএমএ সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি খুলনার শেখপাড়ায় অবস্থিত হক নার্সিং হোমে অপারেশন চলাকালীন হামলা করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশে কর্মরত এএসআই নাঈম ও তার সঙ্গীরা। ডা. শেখ নিশাত আব্দুল্লাহকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন তারা। অপারেশন থিয়েটার ভাংচুর করা হয়। তার মেয়ের এক মাস আগে করা অপারেশনের জটিলতার কথা বলে তারা এই হামলা চালান। অপারেশন মাঝপথে বন্ধ করে দেন তারা।

এই ঘটনায় ওই পুলিশ কর্মকর্তাসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে বুধবার সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন ডা. নিশাত আব্দুল্লাহ। আর যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে ডা. নিশাত আব্দুল্লাহ ও হক নার্সিং হোমের ডা. নুরুল হক ফকিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই এএসআই-এর স্ত্রী।

১ মার্চ সংবাদ সম্মেলনও করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ডা. নিশাতের কথামতো তাকে আলাদা সময় না দেওয়া, অনৈতিক প্রস্তাবে সায় না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সন্তানের হাতে ভুল চিকিৎসা করেন। ফলে তার আঙুল পড়ে যায়। ওই চিকিৎসক আলাদা সময় চেয়েছিলেন, সন্তান নিয়ে চেম্বারে গেলে যৌন হয়রানি করতেন- যা তিনি মামলায় উল্লেখ করেছেন।

About

Popular Links