Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তথ্যমন্ত্রী: রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় বিএনপি

রমজানে দেশে খাদ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ থাকার পরও যারা মূল্য বাড়াচ্ছে তারা গণবিরোধী বলে উল্লেখ করেন তিনি

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৩, ০৫:৩৮ পিএম

বিএনপি রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, “রমজান মাসে অতীতে আন্দোলনের ঘোষণা আমরা কখনও দেখিনি। কারণ সবাই রমজানের পবিত্রতা বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকে।”

শনিবার (২৫ মার্চ) মিন্টোরোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “রমজানে ইফতার পার্টি হয়, সেখানে কথাবার্তা হয়, সেগুলো হয়ে থাকে এবং অন্যান্য কর্মসূচি হয়। বিএনপির কর্মসূচি দেখে মনে হচ্ছে, তারা রমজানের পবিত্রতাটাও নষ্ট করতে চায়। রমজানেও তারা মানুষকে স্বস্তি দিতে চায় না। রমজানেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা তারা করছে।”

রমজানে দেশে খাদ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ থাকার পরও যারা মূল্য বাড়াচ্ছে তারা গণবিরোধী বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “দুঃখজনক হলেও সত্য যে রমজান আসলে কিংবা কোনও উৎসব আসলে আমাদের দেশের কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেন। বিভিন্ন পূজা-পর্বনের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করার জন্য পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেন তারা। রমজানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমদানিনির্ভর পণ্য থেকে শুরু করে যেগুলো উৎপাদননির্ভর পণ্য সেগুলোর যাতে সরবরাহ সঠিক থাকে সে ব্যবস্থা করেছেন। খাদ্যপণ্যের মজুত এখন কেবল যথেষ্টই নয়, বরং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আছে।”

রমজানের চাহিদার চেয়ে বেশি পণ্য মজুত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাদের খাদ্যনীতিতে বলা আছে, দেশে যদি ১০ লাখ টন খাদ্যপণ্য মজুত থাকে তাহলে সেটি নিরাপদ। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য মোটামুটি যথেষ্ট। কিন্তু বর্তমানে ২০ লাখ টনের চেয়ে বেশি খাদ্যশস্য, চাল ও গম গুদামে মজুত রয়েছে। ভোগ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। কোনো কোনো পণ্য চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত মজুত রয়েছে। এরপরেও দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও মজুতদাররা এই রমজানের সুযোগ নিয়ে পণ্যের মূল্য বাড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থা ইতোমধ্যে সক্রিয় হয়েছে এটা আপনারা দেখেছেন। বাজারে মনিটর করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “কেউ যাতে সংকট তৈরি করতে না পারে এবং অতিরিক্ত মুনাফা করতে যেন পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দিতে না পারে এক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও একটা ভূমিকা আছে বলে আমি মনে করি। যেহেতু গণমাধ্যম সমস্ত পণ্যের মজুদ যথেষ্ট রয়েছে এটা জানে, কেউ যাতে বাড়াতে না পারে সেটির বিরুদ্ধে রিপোর্টিং হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নিতে পারবে না। আপনারা জানেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পুরো বিশ্বে পণ্যের মূল্য বেড়েছে। শুধু পণ্যের মূল্য বেড়েছে তাই নয়, ইউরোপে পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় এক বছরের বেশি হয়ে গেছে। বাংলাদেশে কোনো পণ্যের সংকট তৈরি হয়নি। বিশ্ব প্রেক্ষাপটে পণ্যের মূল্য বাড়লেও আমাদের দেশে ইউরোপের দেশগুলোর মতো বা অন্যান্য দেশের মতো পণ্যের সংকট হয়নি।”

About

Popular Links