Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চাঁদরাতে নরসুন্দরের দোকানে ভিড়-ব্যস্ততা

লম্বা লাইনে অপেক্ষায় আছেন সেবাপ্রত্যাশীরা

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৩, ১০:০১ পিএম

রাত পোহালেই ঈদ। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সবাই। সেই সঙ্গে নিজেকেও একটু পরিপাটি করে নেওয়ার চেষ্টা। তাই ভিড় বেড়েছে শহর ও গ্রামের নরসুন্দরের দোকানগুলোতে।

প্রায় সব দোকোনেই সব বয়সীদের উপচে পড়া ভিড়। দম ফেলারও যেন ফুসরত নেই কারিগরদের। গত কয়েকদিন ধরেই এমন অবস্থা চলছে, তবে চাঁদরাতে এসে তা যেন আরও বেড়ে গেছে। গভীর রাত পর্যন্ত এই ভিড় ও ব্যস্ততা থাকবে বলে জানিয়েছেন এসব দোকানের মালিক ও কারিগররা।

শুক্রবার (২১ এপ্রিল) সকাল থেকেই ভিড় দেখা গেছে ধামরাই, সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের দোকানগুলোতে। 

ঢাকার ধামরাইয়ের একটি নরসুন্দরের দোকানে চুল ছাঁটিয়ে বের হয়েছেন শরীফুল ইসলাম রিফাত। এই কলেজ পড়ুয়া জানান, প্রতি ঈদের আগে অবশ্যই চুল ছাঁটান।

রিফাতের মতো চুল ছাঁটিয়ে বের হচ্ছিলেন নাজমুল ইসলামও। তিনি বলেন, “এই সময়ে অনেক ভিড় থাকে। আগেই সিরিয়াল দিয়ে রেখেছিলাম। বিকেল থেকে বসে সন্ধ্যায় সিরিয়াল পেলাম। এখন চুল ছাঁটাতে পারলাম।”

নরসুন্দররা জানান, ঈদ উপলক্ষে চুল ছাঁটানোর পাশাপাশি সেভ, ফেসিয়াল এবং কেউ কেউ চুলে রং করাচ্ছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর সরেজমিনে সেলুনগুলোতে দেখা গেছে, লম্বা লাইনে অপেক্ষায় আছেন সেবাপ্রত্যাশীরা। ধামরাইয়ের কয়েকটি ব্যস্ত বাজারে ঘুরে নরসুন্দরের দোকানগুলোতে কর্মব্যস্ততা দেখা গেছে। কথা বলার মতো ফুসরত তাদের নেই। 

ধামরাইয়ের বারবাড়িয়া বাজারের সুজন সরকারের দোকানের চার কর্মীকেও ব্যস্ত পাওয়া গেলো।

দোকানে বসেই কথা হয় তার সঙ্গে। সেলুন মালিক সুজন সরকার বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন ১৭-১৮ ঘণ্টা করে দোকান খোলা রাখা হচ্ছে। প্রতিদিন ৫-৭ হাজার করে টাকা আয় হচ্ছে। আজকে চাপ একটু বেশি।”

কাওয়ালীপাড়া বাজারের মানিক সরকার বলেন, “এবার সেলুনে অনেক মানুষ এসেছে। গত এক সপ্তাহে প্রতিদিন ৪০-৪৫ জন চুলের কাজ করিয়েছেন। চাঁদরাতে চাপ একটু বেশি থাকে। শেষ রাত পর্যন্ত কাজ করার প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের।”

About

Popular Links