Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খাটে দুই সহোদরের লাশ, পাশেই ঝুলছিল মায়ের মরদেহ

ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই শিশু সন্তান মাশরাফি (২) ও মুশফিকসহ (৮) মায়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ

আপডেট : ০৬ মে ২০২৩, ১০:১৭ পিএম

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার চকতেল পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে দুই শিশু সন্তানসহ এক মায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন নিহত নারীর স্বামী সাহেদ মিয়া।

শনিবার (৬ মে) সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই শিশুসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার দেউলি ইউনিয়নের চকতৈল পুর্বপাড়া গ্রামের সাহেদ মিয়ার স্ত্রী মনিরা বেগম এবং তাদেও দুই শিশু সন্তান মাশরাফি (২) ও মুশফিক (৮)।

দেউলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য হাবিবুল্লাহ দুলাল বলেন, “১২ বছর আগে পারিবারিকভাবে সাহেদ মিয়া এবং মনিরা বেগম বিয়ে করেন। বিয়ের পর সাহেদের কোনো আয় রোজগার ছিল না। সে মাদক ও নেশায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা লেগেই থাকত। একাধিকবার মারধরের ঘটনাও ঘটেছে।”

তিনি আরও বলেন, “শনিবার সন্ধ্যায় সাহেদের বাড়ির ঘরের খাটে দুই শিশুর লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খাটের পাশেই ঘরের ধরনার সঙ্গে রশিতে ঝুলছিল মায়ের লাশ। আশেপাশের লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।”

দেউলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক খায়রুল ইসলাম বলেন, “সাহেদ মাদকাসক্ত। মাঝেমধ্যেই স্ত্রীকে মারধর করতেন। খবর পেয়ে এসে দেখি দুই শিশুর লাশ খাটে পড়ে আছে। তার স্ত্রী রশিতে ঝুলছে। কেন কী কারণে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল বুঝতে পারছি না।”

দেউলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান তাহমিনা হক বলেন, “মা ও দুই শিশুসহ একসঙ্গে তিনজনের হত্যাকাণ্ড একটি মর্মান্তিক ঘটনা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী যেই হোক তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”

এ ব্যাপারে দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, “দুই শিশুর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সুরতহাল শেষে তিনজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।”

About

Popular Links