Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ছেলের অসমাপ্ত কাজগুলো করতে চান জাহাঙ্গীরের মা

মঙ্গলবার প্রার্থীরা সবাই প্রতীক বুঝে পেয়েছেন

আপডেট : ০৯ মে ২০২৩, ০৩:০০ পিএম

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (গাসিক) নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বরাদ্দ অনুযায়ী স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সাবেক মেয়র (বরখাস্ত) জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন টেবিল ঘড়ি প্রতীকে লড়বেন।

মঙ্গলবার (৯ মে) সকাল ১০টায় নগরীর বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রথমেই মেয়র পদে আটজন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং অফিসার ফরিদুল ইসলাম। 

মেয়র পদে রাজনৈতিক দলের পাঁচ প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলীয় প্রতীকই পেয়েছেন। তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে সাবেক মেয়র (বরখাস্ত) জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন (টেবিল ঘড়ি), কারাবন্দি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা নেতা নুরুল ইসলাম সরকারের ছেলে সরকার শাহ নূর ইসলাম রনি (হাতি) এবং হারুন অর রশীদ (ঘোড়া) প্রতীক পেয়েছেন।

প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরুর আগে প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম।

প্রতীক পেয়ে জায়েদা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, “এই শহর রক্ষার স্বার্থে, মানুষের কল্যাণের জন্য ছেলেকে সাথে নিয়ে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। জণগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমি নগরীর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই। ইতোমধ্যে আমার ছেলে নগরীতে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছে, রাস্তাঘাট উন্নয়ন-সংস্কার করেছে। আরও যেসব কাজ অসমাপ্ত আছে, সেগুলো সমাপ্ত করার পাশাপাশি নগরীরে উন্নয়নে, নগরীর বাসিন্দাদের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”

এ সময় জায়েদা খাতুনের পাশেই ছিলেন তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম। 

জায়েদা খাতুন আরও বলেন, “আমি নগরবাসীর কাছে দোয়া ও ভোট চাই। আপনারা (নগরবাসী) আমার পাশে থাকেন, আমি ছেলের থেকে সব কাজ দেখেছি, বুঝেছি, আমি নগরীর রাস্তাঘাট উন্নয়নসহ অসমাপ্ত যেসব কাজ রয়েছে, তা সমাপ্ত করতে চাই।”

এ সময় জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, “এটি একটি আদর্শিক লড়াই। কারণ একটি মিথ্যা দিয়ে একজন ভালো মানুষকে, একটা নগরীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। আমি চাই সেই মিথ্যা উন্মোচন হোক, সত্যটা প্রতিষ্ঠিত হোক। সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতেই এই লড়াই।”

তিনি আরও বলেন, “গার্মেন্টস বাঁচাতে, পোশাক শ্রমিকদের চাকরি রক্ষার্থে মানবিক কারণে আমি নিজের জমি দিয়ে একটা প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করেছি। যার কারণে আজকে আমাকে ঋণখেলাপী বলা হচ্ছে। আপনারা জানেন ঋণখেলাপীর যে অভিযোগে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, একই অভিযোগে সিআইবির নেগেটিভ রিপোর্ট থাকা সত্তার কিন্তু অন্তত ছয়জন কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নের বৈধতা পেয়ছেন। অথচ আমি হাইকোর্টে গিয়েও সুবিচার পেলাম না। সবার প্রতি আমার আহ্বান যেন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ হলেই তো নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না, সবাইকে নিরপেক্ষ হতে হবে। আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসনসহ সবাইকে আহ্বান করব, নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে আপনারা নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে সহোযোগিতা করবেন।”

আগামী ২৫ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান (নৌকা), জাতীয় পার্টির এম এম নিয়াজ উদ্দিন (লাঙ্গল), গণফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম (মাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান (হাত পাখা), জাকের পার্টির রাজু আহম্মেদ (গোলাপ ফুল)।

এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৩৯ জন এবং সংরক্ষিত আসনে ৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

About

Popular Links