Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রচণ্ড বাতাসে ভাঙছে সেন্টমার্টিনের গাছপালা-বাড়িঘর

সেন্টমার্টিন স্পিডবোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আশপাশ থেকে গাছপালা ভেঙে পড়ার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। আকাশ অন্ধকার, সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে’

আপডেট : ১৪ মে ২০২৩, ০৩:৪৫ পিএম

উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করতে শুরু করেছে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা। ঝড়ের প্রভাবে সেন্টমার্টিনে সাগর এখন অত্যন্ত উত্তাল। সেখানে দুপুর থেকে প্রচণ্ড বেগে বাতাস বইতে শুরু করেছে, কোথাও কোথাও গাছপালা ও কাঁচা বাড়িঘর ভেঙে পড়ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রবিবার (১৪ মে) সকাল ৯টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করতে শুরু করে। সন্ধ্যা নাগাদ উপকূল অতিক্রম শেষ করবে মোখা। গতিবেগ অনুযায়ী এর বেশিরভাগ অংশ এবং ঝড়ের কেন্দ্র উত্তর মিয়ানমারের দিকে।

তবে, আবহাওয়া কার্যালয়ের বরাত দিয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (সার্বিক) ও ঘূর্ণিঝড় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের প্রধান বিভীষণ দাশ গণমাধ্যমকে বলেছেন, “এখন ভাটার সময় চলছে। সেন্টমার্টিনে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা নেই।”

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মূল ঝুঁকিটা চলে যাবে মিয়ানমার অঞ্চল দিয়ে। টেকনাফ, কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের অঞ্চলগুলো ঝুঁকিমুক্ত হতে চলেছে। এর ফলে শুরু থেকে ঘূর্ণিঝড় মোখা নিয়ে আমাদের যে ঝুঁকির সম্ভাবনা ছিল, এখন আর ততটা ঝুঁকি নেই।

ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সেন্টমার্টিন স্পিডবোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম দেড়টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, “এখন প্রচণ্ড বাতাস বইছে। আশপাশ থেকে গাছপালা ভেঙে পড়ার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। আকাশ অন্ধকার, সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে।”

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ আকতার কামাল গণমাধ্যমটিকে বলেন, “মনে হয়, ঝড় শুরু হয়ে গেছে। প্রচণ্ড রকমভাবে আশপাশ তছনছ করছে। ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে বলে মনে হয়। তবে, জলোচ্ছ্বাস নেই।”

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজন জানিয়েছেন, তারা প্রচণ্ড বাতাস মোকাবিলা করে আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। বাতাসের বেগ এত বেশি যে, রাস্তায় হাঁটাই যাচ্ছিল না। কখনও কখনও তাদের বসতে হয়েছে। আসার পথে বাড়ির কাঁচা দেয়াল ভেঙে রাস্তায় পড়তে দেখেছেন। কোথাও কোথাও ঘরের টিনের চালও উড়ে গেছে। এলাকাগুলো প্রায় জনশূন্য।

About

Popular Links