Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাংলাদেশের জন্য নতুন মার্কিন ভিসা নীতি: কী, কেন, কীভাবে?

ভিসা নীতিটি কী, কেন গ্রহণ করা হলো,  কাদের জন্য প্রযোজ্য, কী প্রক্রিয়ায় আরোপ করা হবে তা জেনে নেওয়া যাক

আপডেট : ২৫ মে ২০২৩, ০৯:৫৮ পিএম

বুধবার মধ্যরাতে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। সেসময় এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন জানান, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সহায়তার জন্য নতুন এই নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন প্রথমে টুইট করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে এ বিষয়ে তার বিস্তারিত বিবৃতি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে।

বিষয়টি এই মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যসহ গণমাধ্যম, রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক পাড়া তথা সমগ্র দেশের আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। 

অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের মতো করে নীতিটির ব্যাখ্যা করছেন যা আবার জনমনে নানান প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

ভিসা নীতিটি কী, কেন গ্রহণ করা হলো,  কাদের জন্য প্রযোজ্য, কী প্রক্রিয়ায় আরোপ করা হবে তা জেনে নেওয়া যাক -

ভিসা নীতিটি কী

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের কয়েকটি ধারা অনুযায়ী এই ভিসা নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে এবং এক্ষেত্রে তারা পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

কেন গ্রহণ করা হলো?

মার্কিন দপ্তরের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র সর্বত্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করার অঙ্গীকার করেছেন। এই নীতিটি সেই প্রচেষ্টাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে সাহায্য করার জন্য প্রণীত হয়েছে।

কাদের জন্য প্রযোজ্য?

নতুন এই ভিসা নীতি বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী বা জড়িত যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বর্তমান বা সাবেক সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী,  আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, সরকার সমর্থক এবং বিরোধী দলীয় সদস্যরা এর অন্তর্ভুক্ত। এমনকী নির্বাচনে বাধাদানকারীর পরিবারের নিকটতম সদস্যরাও এর অন্তর্ভুক্ত।

কোনো ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে কি?  

এখনো না।  

এই নীতি কী সরকার বা আওয়ামী লীগের জন্য? 

না। কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দল নয় বরং দলমত নির্বিশেষে নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত যেকোনো ব্যক্তি এই বিধিনিষেধের আওতাধীন থাকবে।  

উচ্চ পর্যায়ের কারো নির্দেশে যারা অপরাধ করবে তাদের জন্য ভিসা বিধিনিষেধ কী প্রযোজ্য হবে? 

নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী বা জড়িত যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের নিরাপত্তা হ্রাস করার সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিশোধ হিসেবে কি এই ঘোষণা? 

না। ভিসা নীতির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গত ৩ মে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়। প্রসঙ্গত, মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের নিরাপত্তা হ্রাস করার সরকারি ঘোষণা আসে ১৪ মে।

About

Popular Links