Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খুমেকে রোগীর মৃত্যু নিয়ে স্বজন-চিকিৎসক হাতাহাতি, আটক ২

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) মায়ের মৃত্যুর পর ডাক্তারদের সঙ্গে হাতাহাতির জেরে দুই ছেলেকে পুলিশে দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এ ঘটনার পর মৃত পিয়ারুন বেগমের (৫৫) মরদেহ হাসপাতালে আটকে রাখারও অভিযোগ উঠেছে

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২২, ১০:৪৬ এএম

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) মায়ের মৃত্যুর পর ডাক্তারদের সঙ্গে হাতাহাতির জেরে দুই ছেলেকে পুলিশে দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এ ঘটনার পর মৃত পিয়ারুন বেগমের (৫৫) মরদেহ হাসপাতালে আটকে রাখারও অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৯ এপ্রিল) রাতে খুমেক হাসপাতালের ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার সকালে পিয়ারুন বেগমের দুই ছেলে তরিকুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এদের মধ্যে তরিকুল ইসলামী আন্দোলনের খুলনা জেলার নেতা বলে জানা গেছে।

মৃত পিয়ারুনের ভাইপো মো. মামুন বলেন, “ডায়াবেটিস ও হাড় সমস্যাসহ নানা কারণে অসুস্থ পিয়ারুন বেগমকে শুক্রবার রাতে হাসপাতালের ১১-১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। বেড খালি না থাকায় ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। শনিবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তখন তার ছেলে তরিকুল একাধিকবার দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসকের কাছে যান এবং তার মাকে দেখতে বলেন। কিন্তু তিনি আসেননি। এক পর্যায়ে পিয়ারুন বেগম মারা যান। এ নিয়ে তার দুই ছেলের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এরপর সকালে ডাক্তাররা তরিকুল ও সাদ্দামকে পুলিশে দেয়। আর মরদেহ ওয়ার্ডেই আটকে রাখে।”


আরও পড়ুন



এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, “হাসপাতাল থেকে সকালে তরিকুল ও সাদ্দাম নামে দুই যুবককে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। তারা নাকি হাসপাতালের ডাক্তারকে মেরেছে। তাদের থানা হাজতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, “মানুষ মারা গেলে একটি প্রসিকিউট আছে। সে অনুযায়ী মরদেহ ছাড়তে হয়। লাশ আটকানোর তো কিছু নেই। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পুলিশ তাদের নিয়ে গেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোনো জিডি বা মামলা করিনি।”

About

Popular Links