Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ডিবি: ঢাবি ছাত্রী ইলমাকে হত্যা করা হয়নি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন

মৃত্যুর পর ইলমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন দেখেছিলেন তার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। এরপর তিনি হত্যা মামলা দায়ের করেন

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২২, ০৭:৪৬ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরীকে ‘‘হত্যা করা হয়নি’’। বরং নির্যাতন সইতে না পেরে তিনি ‘‘আত্মহত্যা’’ করেছেন। প্রায় চার মাস তদন্তের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই দাবি করেছে।

ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, ‘‘ডিজিটাল-ফরেনসিক প্রমাণের পাশাপাশি আসামি ও অন্য সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, ইলমা আত্মহত্যা করেছেন। তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন স্বামী ইফতেখার আবেদীন, শাশুড়ি শিরিন আমিন ও শ্বশুর মো. আমিন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এলমা আত্মহত্যা করেন।’’

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ইলমার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ১৫ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন। মামলায় ইলমার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, তার মা শিরিন আমিন ও ইফতেখারের পালক বাবা মো. আমিনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ইফতেখারকে তিন দফায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

মামলার সাইফুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ করেন, চলতি বছরের এপ্রিলে ইলমার সঙ্গে ইফতেখারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ইফতেখার ও তার মা-বাবা ইলমাকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বলেন। ইলমা পড়া বন্ধ করতে না চাওয়ায় ইফতেখার ও তার মা-বাবা মিলে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। একপর্যায়ে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। বিয়ের তিন মাস পর ইফতেখার কানাডায় চলে যান। এরপর ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরেন ইফতেখার। এর দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর এলমার মায়ের মুঠোফোনে কল করে ইফতেখার বলেন, তার মেয়ে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। তাদের আসতে বলেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সন্দেহজনক আচরণ দেখে মেয়ের লাশ পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এ সময় ইলমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন পাওয়া গেলে তিনি মামলা করেন।

About

Popular Links