Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রাস্তাঘাটে তৃতীয় লিঙ্গের উপদ্রব রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, দেশে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির সংখ্যা ১৩ হাজার

আপডেট : ২৭ মে ২০২২, ০৩:২৭ পিএম

সরকারিভাবে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেওয়া সত্ত্বেও রাস্তাঘাটে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের “উপদ্রব” না কমায় প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) জাতীয় সংসদ ভবনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়। বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটি ডাক্তারি পরীক্ষা করে প্রকৃত তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি চিহ্নিত করে আইডি কার্ড দেওয়া এবং “উপদ্রব” প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে বলে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের মাঝে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। কমিটি তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের তাদের পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে মোটিভেশনাল কর্মসূচি নেওয়ার বিষয়ে এবং তাদের ভাতা দেওয়ার বয়সসীমা ৩০ বছরে কমিয়ে আনার সুপারিশ করেছে।”

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, দেশে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির সংখ্যা ১৩ হাজার। এর মধ্যে এ অর্থবছরে এক হাজার ৯২০ জন প্রশিক্ষণ সুবিধা পেয়েছেন। শুধুমাত্র ৫০ ও তার বেশি বয়সীদের মাসে ৬০০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, গত ২১ এপ্রিল সংসদীয় কমিটির বৈঠকে কাজী কানিজ সুলতানা বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের সরকারিভাবে এত সুযোগ সুবিধা দেওয়া সত্ত্বেও প্রায়ই রাস্তাঘাট, বাস ও ফেরিতে তাদের উৎপাতে মানুষ অতিষ্ঠ। তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরা জানিয়েছে তারা সরকারিভাবে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ কিংবা আর্থিক কোনো সহায়তাই পাচ্ছে না। তাহলে মন্ত্রণালয়ের নেওয়া কর্মসূচিগুলো কোথায় নেওয়া হচ্ছে?”

তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের কর্মক্ষম করে তোলার সঙ্গে সঙ্গে মূলধারায় রাখতে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি হাতে নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

বৈঠকে জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারের জন্য দেওয়া জমিতে মাঠ নির্মাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি জানতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ সহিংসতার শিকার কিশোরীদের নিরাপদ আবাসন (সেফ হোম/শেল্টার হোম) সরেজমিন পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয় সংসদীয় কমিটি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

About

Popular Links