Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দ্বিগুণ টাকার লোভ দেখিয়ে কোটি টাকা নিয়ে একরাতেই উধাও

এ ঘটনায় চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব ১১ এর উপ-পরিচালক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন

আপডেট : ২৯ মে ২০২২, ১০:৩৮ এএম

কুমিল্লায় ভুয়া আর্থিক সংস্থার নামে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন র‌্যাব ১১ এর উপ-পরিচালক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

শুক্রবার (২৭ মে) রাতে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন- ভুয়া আর্থিক সংস্থা ফেমাস হাউজিং এর চেয়ারম্যান কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার কন্ঠনগর গ্রামের মো. মামুনুল হক (৪৮),  সহকারী পরিচালক একই উপজেলার বুড়িচং গ্রামের মো. গিয়াস উদ্দিন (৪৭), ম্যানেজার জেলার বি-পাড়া থানার চারাধারী গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম (৪৮), মাঠকর্মী একই থানার পরিহলপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৮)।

র‌্যাব ১১ এর উপ-পরিচালক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, গত ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে জেলার বুড়িচং বাজার এলাকায় ফেমাস হাউজিং নামক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় স্থাপন করে একটি প্রতারক চক্র। চক্রের মূল হোতা মো. মামুনুল হক নিজে কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং মো. নজরুল ইসলামকে সহকারী পরিচালক হিসেবে একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে এবং ৮ জন জনবলের সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে। তিনজন পরিচালক এবং মাঠ পর্যায়ে একাধিক কর্মী নিয়োগ দেয়। পরবর্তীতে বুড়িচং থানার জনবহুল ও ব্যবসায়ীক এলাকায় বুড়িচংয়ের ইউ.পি রোড (বাজার মসজিদ সংলগ্ন) এলাকায় করপোরেট অফিস ও কুমিল্লার রেইসকোর্স এলাকায় একটি জাঁকজমকপূর্ণ শাখা অফিস স্থাপন করে।

তিনি আরও জানান, প্রতারকচক্রটি অতি সুকৌশলে লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের থেকে আমানত সংগ্রহ করে। সহজ সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তাদের সংস্থার সদস্য করা হত। প্রতি মাসে তাদের সংস্থায় একটি নিদিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা করলে ৫ বছর শেষে দ্বিগুণ টাকা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু ৫ বছর পর সংস্থাটি গ্রাহকদের কোনো টাকা পরিশোধ না করে এক রাতের মধ্যেই তাদের অফিস ও বিভিন্ন জিনিসপত্র গুটিয়ে উধাও হয়ে যায়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিলেও তারা কোনো ফল পায়নি। পরে র‍্যাবের কাছে অভিযোগ করলে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতারক চক্র গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন আরও বলেন, না জেনে বুঝে কোথাও আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। যদি ইতোমধ্যে কেউ প্রতারিত হয়ে থাকেন, তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থা নেব।


About

Popular Links