Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘সন্ধ্যার পর ভোট গণনার সময়ে জিন-ভূতের আনাগোনা শুরু হয়’

রবিবার নির্বাচন কমিশনের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অনুষ্ঠিত সংলাপে বিচারপতি আব্দুর রউফ এ মন্তব্য করেন

আপডেট : ১২ জুন ২০২২, ০৫:৫২ পিএম

দিনের ভোট দিনে গণনার পরামর্শ দিয়ে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ বলেছেন, ভোট গণনার সময় শুরু হয় সন্ধ্যার পর। আর সন্ধ্যার পর বাতি নিভতে শুরু করলে জিন, ভূত যা কিছু আছে সব দেখা যায়।

রবিবার (১২ জুন) নির্বাচন কমিশনের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংলাপে কে এম নুরুল হুদা, এ.টি.এম. শামসুল হুদা ও বিচারপতি আব্দুর রউফ নিজেদের অভিজ্ঞতার আলোকে মতামত ও পরামর্শ দেন।

সংলাপে ১৯৯০ সালের ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করা বিচারপতি আব্দুর রউফ বলেন, “আপনারা যদি কোনো পরিবর্তন করতে না সাহস না করেন, তাহলে প্রতি ৫০০ জনের জন্য ১টি পোলিং স্টেশন তৈরি করুন। এতে ভোটের সময় কমে যাবে, ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে ভোট শেষ হবে। দিনে দিনে ভোট গণনা শেষ করতে পারবেন।”

তিনি আরও বলেন, “যে জিনিসটা সবচেয়ে খারাপ—ভোট গণনার সময় শুরু হয় সন্ধ্যার পর। আর আমরা দেখি সন্ধ্যার পর জিন, ভূত যা কিছু আছে সব দেখা যায়। বাতি নিভতে শুরু করলে শুরু হয় তাদের আনাগোনা।”

২০১৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করা কে এম নুরুল হুদা বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ দরকার। আমি জিতব, অবশ্যই জিতব—এই মানসিকতা থেকে বের হতে হবে।”

সদ্য সবেক এ প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, “নির্বাচনে সেনাবাহিনী নিয়োগের দরকার নেই। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী কোনো কাজে আসে বলে আমি মনে করি না।”

২০০৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করা এ.টি.এম. শামসুল হুদা বলেন, “সব দল না আসলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। সব দলকে কীভাবে নির্বাচনে আনবেন সেটা আপনাদের ক্ষমতা ও বোঝানোর সক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে।”

তিনি আরও বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল একটি গণতান্ত্রিক দেশে বেশি দিন নির্বাচনের বাইরে থাকতে পারে না। সেই নির্বাচনী পরিবেশটা আমাদের তৈরি করতে হবে। আমাদের দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকারের নির্বাচিত সরকার আসুক, মাস্তানি কমে যাক।”

About

Popular Links