Friday, June 14, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের বন্দিরা পেলেন উন্নতমানের খাবার

জেলা প্রশসক, পুলিশ সুপারসহ পদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও বন্দিদের সঙ্গে বসে খাবার খেয়েছেন। একইসঙ্গে বসে উপভোগ করেছেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আপডেট : ২৫ জুন ২০২২, ০৭:৩৭ পিএম

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে উন্নতমানের খাবার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে প্রশাসন। জেলে বসেও এমন ঐতিহাসিক দিনের আনন্দ উপভোগ করতে পেরে খুশি বন্দিরা।  

শনিবার (২৫ জুন) বন্দিদের কথা চিন্তা করে এমন আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ পদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও বন্দিদের সঙ্গে বসে খাবার খেয়েছেন। একইসঙ্গে বসে উপভোগ করেছেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

কারাগারের বন্দিরা জানান, জেলে বসেও পদ্মা সেতুর ঐতিহাসিক এই দিনের আনন্দ উপভোগ করতে পেরে তারা খুশি। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন তারা।

মির্জাপুর উপজেলার একজন কয়েদি বলেন, এমন আয়োজন আমাদের খুব ভালো লেগেছে। আমরা অনেক উপভোগ করেছি। সাধারণত আমাদের নিয়ে কেউ এমন আযোজন করে না। আজ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এমন আয়োজন করা হলো। এতে কারাগারের সকল বন্দিই অনেক খুশি ও উচ্ছ্বসি।  

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “আজ (শনিবার) বাংলাদেশের মানুষের জন্য বিশেষ দিন। সকলেই এই দিনে আনন্দ উপভোগ করুক এটাই প্রত্যাশা। কারাগারের বন্দিরা অনেক আনন্দিত এমন আয়োজনে।”

জেল সুপার আব্দুলাহ আল মামুন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের এমন ভিন্নধর্মী আয়োজনে কারাবন্দিরা খুশি। এই জেলাখানায় বর্তমানে হাজতি ও কয়েদি মিলে মোট ১ হাজার ৪৯৩ জন আছেন। পুরো জেলখানাতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। করোনাভাইরাসের সময়ে প্রায় ২ বছর কারাগারে কোনো আয়োজন ছিল না।”  

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক আতাউল গনি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “সারা দেশের মানুষের কাছে একটি আনন্দের দিন। এই আনন্দ ভাগাভাগি করতেই জেলখানায় এমন আয়োজন করা হয়েছে। বন্দিদের সঙ্গে এমন আয়োজন করতে পেরে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে। শুধু কারাগারের বন্দিরা নয়, হাসপাতালের রোগীদের জন্যও উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যহত থাকবে।”

About

Popular Links